ছবি ভিডিও মতামত
সর্বশেষ
নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান, আটক ৫৬ জন বসিলায় ৪০ ফিট খাল পরিষ্কার, অভিযানে অংশ নিলেন ৬০০ স্বেচ্ছাসেবক চীনে মুক্তি পেল প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য এআই চলচ্চিত্র, বক্স অফিসে অনিশ্চয়তা সাকের হত্যার ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ, চিকিৎসক সাময়িক বরখাস্ত ফরিদপুরে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্সের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল ৩ জনের ইতালি, গ্রিস ও সাইপ্রাস থেকে ফেরত ৩৫ বাংলাদেশি দেশে হাম ও উপসর্গে মৃত্যু ১,২১৪, হাসপাতালে নতুন ১,১৩৫ রোগী রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের নেতৃত্বে বেসরকারি ব্যাংকার, ক্ষোভ কর্মকর্তাদের কুতুবদিয়ায় জেলে পাড়ায় অগ্নিকাণ্ড, পুড়েছে ৩৩ বসতঘর আটোয়ারীতে চারটি লাউ এক টাকা, বাম্পার ফলনেও লোকসানে কৃষক
বাংলাদেশ

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় সহায়তার আশ্বাস যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের

প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০: ৩৩
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় সহায়তার আশ্বাস যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের
সংগৃহীত

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন। ব্যাংককে চলমান বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বার্ষিক সভার ফাঁকে বুধবার (১৪ অক্টোবর) দেশ দুটির সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করে বাংলাদেশ। এসব বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা চাওয়া হলে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন প্রতিনিধি দলের একাধিক কর্মকর্তা।


কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, চীনের এক্সিম ব্যাংক বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এ বিষয়ে আলোচনার জন্য আগামী সপ্তাহে ব্যাংকটির চেয়ারম্যানের ঢাকা সফরের কথা রয়েছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট বাংলাদেশের ঋণ ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।


আইএমএফের ঋণ কর্মসূচিতে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দেশটির সমর্থন ও সহযোগিতাকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ।


যুক্তরাষ্ট্র থেকে উড়োজাহাজ, জ্বালানি তেল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির বিষয়টি তুলে ধরে বাংলাদেশের বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় মার্কিন অনুদান ও বিশেষ সহযোগিতাও চাওয়া হয়েছে। বৈঠক-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভাষ্য, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো এ প্রস্তাব ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করেছে।


বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক এগিয়েছে। বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে উড়োজাহাজ কেনার পাশাপাশি সয়াবিনসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানি বাড়িয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে দেশের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক স্বার্থে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে আরও সহায়তা প্রত্যাশা করে বাংলাদেশ।


অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘অতীতে আমরা যুক্তরাষ্ট্র থেকে তেমন কিছু পাইনি। কিন্তু বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক যেভাবে এগিয়েছে, সেই প্রেক্ষাপটে আমরা আরও সহায়তা প্রত্যাশা করছি।’

আরও পড়ুন

নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান, আটক ৫৬ জন ১২ ঘণ্টা আগে নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান, আটক ৫৬ জন


প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক ও যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টসহ আন্তর্জাতিক অংশীদাররা মনে করে, বাংলাদেশ বর্তমান অর্থনৈতিক সংকট ও উচ্চ মূল্যস্ফীতির পরিস্থিতি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছে। এর সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাবও অর্থনীতিতে পড়েছে।


তাঁর ভাষ্য, বর্তমান সরকার এসব সমস্যা সমাধানে কাজ করছে বলে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো মনে করছে। এ কারণে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে। আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে এসব সহযোগিতার বিষয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।


ঋণনির্ভরতা কমিয়ে বিনিয়োগে জোর


বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের বার্ষিক সভার বিভিন্ন বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রথাগত সার্বভৌম ঋণের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ইকুইটি বিনিয়োগ ও সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। চীনের এক্সিম ব্যাংকের সহযোগিতায় যৌথ বিনিয়োগের সুযোগও খোঁজা হচ্ছে।


বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনর্গঠনে সরকারের প্রধান লক্ষ্য হিসেবে রাজস্ব আয় বাড়ানো, ব্যাংক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, বিনিয়োগ ও উৎপাদন বৃদ্ধি এবং মূল্যস্ফীতির চাপ থেকে সাধারণ মানুষকে সুরক্ষা দেওয়ার কথা তুলে ধরা হয়েছে।


আরও পড়ুন

বসিলায় ৪০ ফিট খাল পরিষ্কার, অভিযানে অংশ নিলেন ৬০০ স্বেচ্ছাসেবক ১২ ঘণ্টা আগে বসিলায় ৪০ ফিট খাল পরিষ্কার, অভিযানে অংশ নিলেন ৬০০ স্বেচ্ছাসেবক

এ জন্য করের হার না বাড়িয়ে করের আওতা সম্প্রসারণ, কর ফাঁকি বন্ধ এবং রাজস্ব নীতি প্রণয়ন ও রাজস্ব আহরণের দায়িত্ব পৃথক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের জানানো হয়েছে।


ব্যাংক খাতের সংস্কারেও সময়সীমাভিত্তিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়। খেলাপি ঋণ কমানো, দুর্বল ব্যাংকগুলোর আর্থিক ভিত্তি পুনর্গঠন এবং আমানতকারীদের স্বার্থ সুরক্ষার মাধ্যমে এ খাতে দীর্ঘমেয়াদি আস্থা ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।


এ ছাড়া বন্ধ হয়ে যাওয়া কলকারখানা পুনরায় চালু এবং বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়াতে প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ অর্থায়ন প্যাকেজের মাধ্যমে বিনিয়োগ ও উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।


অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, বিগত সরকারের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি মোকাবিলায় বর্তমান সরকার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিকে গুরুত্ব দিচ্ছে। তাঁর দাবি, বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টসহ আন্তর্জাতিক অংশীদাররা সরকারের সংস্কার কৌশলের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেছে।


সামাজিক সুরক্ষায় বিশেষ নজর


মূল্যস্ফীতি ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ থেকে নিম্ন আয়ের এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দিতে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিকে সরকারের সংস্কার পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ফ্যামিলি কার্ড ও ফার্মার্স কার্ডের মতো কর্মসূচিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন

সাকের হত্যার ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ, চিকিৎসক সাময়িক বরখাস্ত ১৩ ঘণ্টা আগে সাকের হত্যার ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ, চিকিৎসক সাময়িক বরখাস্ত


বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের বলা হয়েছে, বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতির কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে। তাই অর্থনৈতিক সংস্কারের পাশাপাশি সামাজিক সুরক্ষার মাধ্যমে নিম্ন আয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ধরে রাখার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।


শিক্ষা ও কর্মসংস্থানে জোর আইএমএফের


দক্ষিণ এশিয়ার বিপুল তরুণ জনগোষ্ঠী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির বড় সুযোগ তৈরি করেছে। তবে এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে শিক্ষা, দক্ষতা ও স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি বেসরকারি খাতের বিকাশ এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে বলে সতর্ক করেছে আইএমএফ।


বার্ষিক সভা উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে আইএমএফের বৈশ্বিক নীতিগত কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয়।


আইএমএফের বক্তব্য অনুযায়ী, উন্নত অর্থনীতি ও কয়েকটি উদীয়মান দেশের জনসংখ্যা দ্রুত বয়স্ক হয়ে উঠছে। বিপরীতে আফ্রিকা ও দক্ষিণ এশিয়ায় তরুণ জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বাড়ছে। এসব অঞ্চলের জন্য কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে উৎপাদনশীল কাজে যুক্ত করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে তা কাজে লাগাতে প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও যথাযথ বিনিয়োগ।

আরও পড়ুন

ফরিদপুরে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্সের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল ৩ জনের ১৩ ঘণ্টা আগে ফরিদপুরে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্সের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল ৩ জনের


তরুণ জনগোষ্ঠীর দেশগুলোকে শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগকে অগ্রাধিকার দিতে হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। পরিবর্তিত শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী কর্মীদের নতুন দক্ষতা অর্জন ও পুনঃপ্রশিক্ষণের সুযোগও বাড়াতে হবে। শুধু নির্দিষ্ট চাকরি ধরে রাখার চেষ্টা না করে কর্মীদের নতুন কাজের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা তৈরি করা জরুরি।


কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় সুযোগের পাশাপাশি ঝুঁকি


কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ডিজিটাল অর্থায়নের দ্রুত বিস্তার নতুন অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরি করছে। একই সঙ্গে এসব প্রযুক্তি শ্রমবাজারে পরিবর্তন আনতে পারে এবং আয়বৈষম্য বাড়ানোর ঝুঁকিও তৈরি করতে পারে বলে সতর্ক করেছে আইএমএফ।


সংস্থাটির মতে, প্রযুক্তির সুফল পেতে ডিজিটাল অবকাঠামো, টেকসই জ্বালানি ও দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে বিনিয়োগ প্রয়োজন। পাশাপাশি এমন নীতিমালা গড়ে তুলতে হবে, যাতে প্রযুক্তির কারণে উৎপাদনশীলতা বাড়ার সুফল সমাজের বিস্তৃত জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে কাজে লাগে।


দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ শুধু বিপুল তরুণ জনগোষ্ঠী নয়; বরং তাদের মানসম্মত শিক্ষা, প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করা। এসব ক্ষেত্রে কার্যকর বিনিয়োগ করা গেলে তরুণ জনগোষ্ঠী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি হয়ে উঠতে পারে।


আরও পড়ুন

ইতালি, গ্রিস ও সাইপ্রাস থেকে ফেরত ৩৫ বাংলাদেশি ১৩ ঘণ্টা আগে ইতালি, গ্রিস ও সাইপ্রাস থেকে ফেরত ৩৫ বাংলাদেশি

ঢালাও ভর্তুকি কমানোর তাগিদ


বিশ্ব অর্থনীতির স্থিতিশীলতা রক্ষা ও ঋণের চাপ সামাল দিতে কর ব্যবস্থার সংস্কার, অযৌক্তিক কর অব্যাহতি কমানো এবং ঢালাও ভর্তুকির পরিবর্তে লক্ষ্যভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছে আইএমএফ।


সংস্থাটির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, করের আওতা বাড়ানো, অযৌক্তিক কর অব্যাহতি কমানো এবং সরকারি ব্যয়ের দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে উন্নয়নশীল ও উদীয়মান অর্থনীতিগুলো রাজস্ব আয় বাড়াতে পারে। একই সঙ্গে জ্বালানি ও অন্যান্য পণ্যে নির্বিচারে ভর্তুকি না দিয়ে প্রকৃত সুবিধাভোগীদের সহায়তা দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।


তবে কর সংস্কার ও ভর্তুকি পুনর্বিন্যাসের ক্ষেত্রে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ওপর বাড়তি চাপ এড়ানো এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ।


আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের সপ্তাহব্যাপী বৈঠকের তৃতীয় দিনে অনুষ্ঠিত ‘ফিসক্যাল মনিটর’ বিষয়ক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব বিষয় তুলে ধরা হয়। এতে বক্তব্য দেন আইএমএফের ফিসক্যাল অ্যাফেয়ার্স বিভাগের পরিচালক রদ্রিগো ভালদেস, উপপরিচালক এরা দাবলা-নরিস এবং বিভাগের ডিভিশন চিফ ডেভিডে ফুরচেরি।


আইএমএফের মতে, ঢালাও ভর্তুকি সরকারের ওপর বড় আর্থিক চাপ তৈরি করে। অনেক ক্ষেত্রে এর সুফল দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পরিবর্তে বেশি ভোগক্ষমতাসম্পন্ন মানুষের কাছে বেশি পৌঁছায়। এ কারণে জ্বালানির দাম বাড়লে সবাইকে সমানভাবে ভর্তুকি দেওয়ার পরিবর্তে নিম্ন আয়ের মানুষ, ঝুঁকিপূর্ণ পরিবার ও গণপরিবহন ব্যবস্থার জন্য সুনির্দিষ্ট সহায়তা কার্যকর করা উচিত।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন

মন্তব্য (০)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন।

Bangladesh নিয়ে আরও পড়ুন