https://newsbdc.com/national/mvgmiyvoqh
পর্তুগালের রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত
পর্তুগালে নবনিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ড. এস এম কামরুল হাসান দেশটির রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেছেন। সোমবার (২০ অক্টোবর) লিসবনের বেলেম প্রাসাদে তিনি পর্তুগিজ প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে পর্তুগালে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
পরিচয়পত্র পেশের এ আনুষ্ঠানিকতা বাংলাদেশ ও পর্তুগালের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের অঙ্গীকারকে তুলে ধরে।
আরও পড়ুন
নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান, আটক ৫৬ জন ১৩ ঘণ্টা আগে
ঢাকায় পর্তুগালের স্থায়ী কূটনৈতিক মিশন প্রতিষ্ঠার আহ্বান
পর্তুগালের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত কামরুল হাসান বাংলাদেশের সরকারপ্রধানের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিবাদন জানান।
এ সময় তিনি ঢাকায় পর্তুগালের একটি স্থায়ী কূটনৈতিক মিশন প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁর মতে, এ উদ্যোগ দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত কূটনৈতিক যোগাযোগ সহজ করবে, প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক জোরদার করবে এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণে সহায়ক হবে।
অভিবাসন, বাণিজ্য ও বিমান যোগাযোগে গুরুত্ব
রাষ্ট্রদূত দ্বিপক্ষীয় গতিশীলতা কাঠামোর আওতায় সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়া, নিয়মিত ও সুশৃঙ্খল অভিবাসন নিশ্চিত করা এবং বিদ্যমান বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন।
আরও পড়ুন
বসিলায় ৪০ ফিট খাল পরিষ্কার, অভিযানে অংশ নিলেন ৬০০ স্বেচ্ছাসেবক ১৩ ঘণ্টা আগে
দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগ স্থাপনের প্রতিও আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।
পর্তুগালের রাষ্ট্রপতি দেশটিতে বসবাসরত বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের অবদান স্বীকার ও প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে পর্তুগিজ সমাজে তাঁদের একীভূত হওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
আরও পড়ুন
সাকের হত্যার ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ, চিকিৎসক সাময়িক বরখাস্ত ১৩ ঘণ্টা আগে
সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র
বৈঠকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, সামুদ্রিক বিষয়াবলি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ ও আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।
লিসবনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে, দুই দেশের অভিন্ন স্বার্থ এগিয়ে নেওয়া, অর্থনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করা এবং জনগণের পারস্পরিক কল্যাণে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বকে আরও কার্যকর রূপ দিতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন।