https://newsbdc.com/national/mvi0opasqg
ফ্রান্সে নতুন বিক্ষোভের আশঙ্কা, নিরাপত্তায় সেনা মোতায়েন
ফ্রান্সে নতুন করে বিক্ষোভ ও সহিংসতার আশঙ্কায় নিরাপত্তা জোরদার করছে সরকার। আগামী শনিবারের সম্ভাব্য বিক্ষোভ ঘিরে পুলিশের পাশাপাশি সামরিক বাহিনী মোতায়েনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। গত সপ্তাহান্তে দাঙ্গা ও লুটপাট ঠেকাতে সরকারের ব্যর্থতা নিয়ে সমালোচনার পর এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।
ফরাসি প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়াঁ লেকর্নু বলেছেন, আগামী শনিবার নজিরবিহীন মাত্রার নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হবে। গত ১৭ অক্টোবর প্যারিস, মার্সেই, লিওঁসহ বিভিন্ন শহরে দাঙ্গা ও লুটপাটের ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনাকে সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলেও জানান তিনি।
আরও পড়ুন
নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান, আটক ৫৬ জন ১১ ঘণ্টা আগে
পার্লামেন্টে বিতর্কের সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট নুনেজ জানান, পুলিশের পাশাপাশি সামরিক বাহিনীকেও মোতায়েন করা হবে। শহরগুলোর কেন্দ্রস্থলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারায় সরকারের কৌশল পুনর্বিন্যাসের প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী লেকর্নু বর্তমান পরিস্থিতিকে সহিংসতা ও প্রজাতন্ত্রের মধ্যে বেছে নেওয়ার সংকট হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এ অস্থিরতার জন্য তিনি কট্টর বামপন্থিদের দায়ী করেন। তবে কট্টর বামপন্থিদের বক্তব্য, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও জনসেবার মান কমে যাওয়ার কারণে মানুষের মধ্যে যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে, সরকার তা যথাযথভাবে বিবেচনায় নেয়নি।
আরও পড়ুন
বসিলায় ৪০ ফিট খাল পরিষ্কার, অভিযানে অংশ নিলেন ৬০০ স্বেচ্ছাসেবক ১১ ঘণ্টা আগে
গত সপ্তাহান্তের সহিংসতার পর ফ্রান্সে তুলনামূলক শান্ত একটি রাত কাটলেও কয়েকটি অস্থির এলাকায় স্থানীয় পর্যায়ে কারফিউ জারি করা হয়েছে। সরকার জানিয়েছে, কিছু এলাকায় ১৮ বছরের কম বয়সীদের লক্ষ্য করে জারি করা বিধিনিষেধসহ এসব কারফিউ মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল।
আরও পড়ুন
সাকের হত্যার ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ, চিকিৎসক সাময়িক বরখাস্ত ১১ ঘণ্টা আগে
লেকর্নু স্বীকার করেছেন, সপ্তাহান্তে পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের প্রতিক্রিয়ায় ঘাটতি ছিল। গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহে ব্যর্থতা, পুলিশের স্থির অবস্থানভিত্তিক মোতায়েন এবং পূর্বনির্ধারিত পুলিশ সদস্যদের ছুটি বাতিল না করাকে তিনি ত্রুটি হিসেবে উল্লেখ করেন।
এদিকে, আগামী বছর ফ্রান্সে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হওয়ার কথা। জনমত জরিপে কট্টর ডানপন্থি ও কট্টর বামপন্থি প্রার্থীদের শক্তিশালী অবস্থানের প্রেক্ষাপটে চলমান অস্থিরতা দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা বাড়িয়েছে।
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন।