https://newsbdc.com/national/mw1mwu8nk8
গাজীপুরে খুলেছে বেশির ভাগ কারখানা, সতর্ক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
গাজীপুরে ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকা দাবিতে চলমান শ্রমিক আন্দোলনে সহিংসতা ঠেকাতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। এ ছাড়া বিভিন্ন কারখানা এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বুধবার সকাল থেকে খুলে দেওয়া হয়েছে বেশির ভাগ কারখানা। তবে গতকাল আন্দোলনের সময় আহত এক শ্রমিক মারা গেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শিল্প পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকাল থেকে গাজীপুরের বেশির ভাগ শিল্পপ্রতিষ্ঠান খোলা হয়েছে। এতে কর্মস্থলে যোগ দিয়েছেন শ্রমিকেরা। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কারখানা এলাকা ও মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো বিশৃঙ্খলার খবর পাওয়া যায়নি। মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
আরও পড়ুন
ষষ্ঠ দিনেও মহাসড়ক অবরোধ, পুলিশের সঙ্গে দুষ্কৃতিকারী ও শ্রমিকদের সংঘর্ষ ৪০ মিনিট আগে
গাজীপুর শিল্পাঞ্চল-২-এর পুলিশ সুপার আমজাদ হোসাইন বলেন, গাজীপুরের বেশির ভাগ শিল্পপ্রতিষ্ঠান মালিকপক্ষ খুলে দিয়েছে। সকাল থেকে শ্রমিকেরা কাজে ফিরেছেন। এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন
রাজধানীর কল্যাণপুরে বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৪ যাত্রী নি/হত ৪৯ মিনিট আগে
তিনি আরও বলেন, গতকাল ভোগড়া বাইপাস এলাকায় টোল প্লাজা ভাঙচুর ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের চেষ্টা করার সময় ঘটনাস্থল থেকে সাতজনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় ১ হাজার ২০০ জন অজ্ঞাতনামা আসামি করে বাসন থানায় মামলা হয়েছে। আটকদের ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ছাড়া গাজীপুরে মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে চলমান শ্রমিক আন্দোলনের মধ্যে হামলায় গুরুতর আহত তৌফিক শেখ (২১) নামের এক পোশাকশ্রমিক চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তাঁর মৃত্যুর ঘটনায় ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।
আরও পড়ুন
দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীরা পোশাকখাত ধ্বংসের চেষ্টা করছে, মত বিশ্লেষকদের ৫৪ মিনিট আগে
পোশাকশ্রমিকের মৃত্যু নিয়ে স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত পাঁচ বছর ধরে তৌফিক বাংলাবাজার এলাকায় থেকে কারখানায় চাকরি করছিলেন। সোমবার নোমান গ্রুপের টেরিটোরি গার্মেন্টসের সামনে শ্রমিক আন্দোলন চলাকালে হামলার ঘটনা মুঠোফোনে ধারণের চেষ্টা করেন তিনি। এ সময় হামলাকারীরা তাঁর ওপর চড়াও হয়ে মারধর করে। গুরুতর আহত তৌফিককে সহকর্মী শ্রমিকেরা উদ্ধার করে উত্তরার একটি হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
আরও পড়ুন
ধর্মের অপব্যবহার ও রাজনৈতিক ফায়দা লোটার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ১১ ঘণ্টা আগে
নিহত তৌফিক গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের ছয়ঘড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি গাজীপুরের বাংলাবাজার এলাকায় থাকতেন এবং স্থানীয় লায়লা গার্মেন্টসে কাজ করতেন।
গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া বলেন, গাজীপুরে চলমান শ্রমিক আন্দোলনে সহিংসতা রোধে পুলিশ, আনসার ও এসআরবি সদস্যদের পাশাপাশি ১৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়া জেলা প্রশাসনের ২৫ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন। এখন পর্যন্ত শিল্পাঞ্চলের পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে।
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন।