https://newsbdc.com/national/mvxu3u0uza
পূর্বাচল প্লট দুর্নীতি: শওকত আজিজ রাসেলকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ
রোববার (১ নভেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯-এর বিচারক মো. আব্দুস সালাম এ আদেশ দেন।
আরও পড়ুন
শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি আন্দোলনে সহিংসতার উসকানি কারা দিচ্ছে? ৬ ঘণ্টা আগে
এদিন আদালতে আত্মসমর্পণ করে আপিলের শর্তে জামিনের আবেদন করেন শওকত আজিজ রাসেল। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে তার পক্ষ থেকে কারাগারে ডিভিশন দেওয়ার আবেদন করা হয়।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রসিকিউটর খন্দকার শামীম হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত ১৩ অক্টোবর একই আদালত পূর্বাচল প্লট দুর্নীতির মামলায় শওকত আজিজ রাসেলসহ আটজনকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত অন্যদের মধ্যে রয়েছেন রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল উদ্দিন চৌধুরী, সাবেক সদস্য এস. ডি. ফয়েজ, এ. কে. এম. ওয়াহেদুল ইসলাম, এস. এম. জাফর উল্লাহ, এইচ. এম. জহুরুল হক ও মো. রেজাউল করিম তরফদার। এ ছাড়া রাসেলের ভাই আশফাক আজিজ রুবেলও এ মামলায় দণ্ডিত হয়েছেন।
আরও পড়ুন
বিদ্যুৎ-সাশ্রয়ী ফ্যান ব্যবহারে ২ হাজার ৫৯০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের সম্ভাবনা ৬ ঘণ্টা আগে
রায়ের বিবরণ অনুযায়ী, শওকত আজিজ রাসেল ও আশফাক আজিজকে ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়। প্রতিটি ধারায় সাত বছর করে মোট ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।
একই অভিযোগে রাজউকের সাবেক ছয় কর্মকর্তাকেও ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাদেরও অতিরিক্ত এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন
সরকারি ক্রয়ে স্বচ্ছতা ও প্রতিযোগিতা বাড়াতে আইনে পরিণত হচ্ছে অধ্যাদেশ ৬ ঘণ্টা আগে
তবে দণ্ডবিধির ৪২০ ধারার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আসামিদের ওই ধারা থেকে খালাস দেওয়া হয়। রায়ে আরও বলা হয়, আসামিদের আগে হাজতবাসের সময় মূল দণ্ড থেকে বাদ যাবে এবং উভয় ধারার সাজা একসঙ্গে কার্যকর হবে।
এ ছাড়া শওকত আজিজ রাসেল ও আশফাক আজিজের নামে বরাদ্দ করা পূর্বাচলের সেক্টর-১-এর রোড-৪০৫-এর ০১১ ও ০১৩ নম্বর প্লটের বরাদ্দ বাতিল করে সেগুলো রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেন আদালত।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, প্রভাব খাটিয়ে পূর্বাচল আবাসিক প্রকল্পে ১০ কাঠা করে মোট ২০ কাঠা জমির দুটি প্লট বরাদ্দ নেওয়া ও দেওয়ার অভিযোগে ২০১৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি মামলা করে দুদক। সংস্থাটির তৎকালীন উপসহকারী পরিচালক সিলভিয়া ফেরদৌস বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
আরও পড়ুন
আগারগাঁও মেট্রো স্টেশন ও সোবহানবাগে ককটেল বিস্ফোরণ ৬ ঘণ্টা আগে
অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে শওকত আজিজ রাসেল ও আশফাক আজিজের নামে দুটি প্লট বরাদ্দ দেন, যার ফলে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতি হয়।
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন।