ছবি ভিডিও মতামত
সর্বশেষ
ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনার ছয় দিন পর পদত্যাগ করলেন স্পেনের পরিবহনমন্ত্রী হাইতিতে ৫২৫ পুলিশ সদস্য পাঠানোর উদ্যোগ, জাতিসংঘ মিশনে বাড়ছে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে সিনেটে ৫১ আসনে ডেমোক্র্যাটরা, কংগ্রেসেও এগিয়ে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানালেন চীনা মন্ত্রী পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে বোর্ডের প্রথম সভা সকাল ১১টায় ষষ্ঠ দিনেও মহাসড়ক অবরোধ, পুলিশের সঙ্গে দুষ্কৃতিকারী ও শ্রমিকদের সংঘর্ষ রাজধানীর কল্যাণপুরে বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৪ যাত্রী নি/হত গাজীপুরে খুলেছে বেশির ভাগ কারখানা, সতর্ক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীরা পোশাকখাত ধ্বংসের চেষ্টা করছে, মত বিশ্লেষকদের
বাংলাদেশ

লাইসেন্স ছাড়া চলবে না ব্যাটারিচালিত রিকশা, প্রকাশ নতুন নীতিমালা

প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১২: ১৩
লাইসেন্স ছাড়া চলবে না ব্যাটারিচালিত রিকশা, প্রকাশ নতুন নীতিমালা
সংগৃহীত

রাজধানীর সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানো ও যাত্রী পরিবহনব্যবস্থা সুশৃঙ্খল করতে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলের নীতিমালা প্রকাশ করেছে সরকার। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, লাইসেন্স ছাড়া ঢাকা শহরে কোনো ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল করতে পারবে না।


বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে ব্যাটারিচালিত রিকশার এ নীতিমালা প্রকাশ করা হয়।


নীতিমালায় বলা হয়েছে, ই-রিকশা নিবন্ধনের জন্য কোনো ব্যক্তিকে কর্তৃপক্ষের কাছে তফসিল-২-এ উল্লিখিত ফিসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে তফসিল-১-এ বর্ণিত ফরম অনুযায়ী আবেদন করতে হবে।


নিবন্ধনের জন্য পাওয়া আবেদন, জমা দেওয়া কাগজপত্র এবং বুয়েট কর্তৃক নির্ধারিত ই-রিকশার প্রযুক্তিগত মানদণ্ড ও নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যের আলোকে যাচাই-বাছাই করে সন্তুষ্ট হলে আবেদন পাওয়ার ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে ই-রিকশার নিবন্ধন করবে কর্তৃপক্ষ।


কর্তৃপক্ষ প্রতিটি নিবন্ধিত ই-রিকশার জন্য একটি কিউআর কোডযুক্ত ইউনিক নিবন্ধন নম্বর ও তফসিল-৩ অনুযায়ী নম্বর প্লেট দেবে। কিউআর কোডযুক্ত নিবন্ধন নম্বর ই-রিকশার দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে।


কর্তৃপক্ষের দেওয়া নিবন্ধনের মেয়াদ হবে প্রদানের তারিখ থেকে পাঁচ বছর।


কর্তৃপক্ষ আবেদন যাচাই-বাছাই করে সন্তুষ্ট না হলে তা নামঞ্জুর করবে এবং নামঞ্জুরের কারণ আবেদনকারীকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে জানাবে।

আরও পড়ুন

হাইতিতে ৫২৫ পুলিশ সদস্য পাঠানোর উদ্যোগ, জাতিসংঘ মিশনে বাড়ছে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ৬ মিনিট আগে হাইতিতে ৫২৫ পুলিশ সদস্য পাঠানোর উদ্যোগ, জাতিসংঘ মিশনে বাড়ছে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ


কোনো আবেদন নামঞ্জুর হলে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি আদেশ পাওয়ার ১০ কার্যদিবসের মধ্যে আদেশ প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আপিল করতে পারবেন। আপিলের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।


একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে যেকোনো এক বা একাধিক সিটি করপোরেশন থেকে অনধিক পাঁচটি ই-রিকশার নিবন্ধন নেওয়া যাবে।


এক সিটি করপোরেশনে নিবন্ধিত ই-রিকশা অন্য কোনো সিটি করপোরেশন এলাকায় বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে চালানো যাবে না।


বুয়েট নির্ধারিত প্রযুক্তিগত মানদণ্ড ও নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ডিজাইন স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী তফসিল-৪ অনুসারে ফিটনেস সার্টিফিকেট এবং সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগের প্রতিস্বাক্ষর ছাড়া কোনো ই-রিকশার নিবন্ধন দেওয়া বা নবায়ন করা যাবে না।


ফিটনেস প্রদানকারী ও প্রতিস্বাক্ষরকারী প্রতিষ্ঠানকে নির্দিষ্টভাবে নিবন্ধনের রেকর্ড সংরক্ষণ করতে হবে।


স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রকাশিত নীতিমালায় বলা হয়েছে, এস. আর. ও. নম্বর ৩৮৪-আইন/২০২৬। স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন, ২০০৯-এর ১২০ ধারায় দেওয়া ক্ষমতাবলে সরকার এ বিধিমালা প্রণয়ন করেছে।


আরও পড়ুন

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী ১০ মিনিট আগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী

এই বিধিমালা ‘সিটি করপোরেশন এলাকায় তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিকশা (ই-রিকশা) চলাচল বিধিমালা, ২০২৬’ নামে অভিহিত হবে। দেশের সব সিটি করপোরেশন এলাকায় চলাচলকারী ই-রিকশার ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে।


বর্তমানে রাস্তায় চলাচল করা ই-রিকশার ক্ষেত্রে বুয়েট নির্ধারিত প্রযুক্তিগত মানদণ্ড ও নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট আবশ্যকীয় ডিজাইন স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী কাঠামোগত সংশোধন করে অনুমোদন দেওয়া যাবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগের প্রতিস্বাক্ষরসহ ফিটনেস সার্টিফিকেট নিতে হবে।


পর্যায়ক্রমে ই-রিকশাগুলোকে বিমার আওতায় আনা হবে। প্রতিটি ই-রিকশাকে বুয়েট নির্ধারিত প্রযুক্তিগত মানদণ্ড ও নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন হতে হবে।


প্রতিটি ই-রিকশার অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল হবে নিবন্ধনের তারিখ থেকে ১২ বছর। এ সময় শেষ হওয়ার পর নম্বর প্লেটসহ সংশ্লিষ্ট ই-রিকশার নিবন্ধন বাতিল করতে হবে।


প্রতিটি ই-রিকশায় স্পিডোমিটার বা ওডোমিটার স্থাপন করতে হবে। ত্রুটিযুক্ত ও অবৈধ যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ। কোনো যান্ত্রিক বা নিরাপত্তা ত্রুটিযুক্ত এবং নিবন্ধনবিহীন অবৈধ ই-রিকশা সড়কে চালানো যাবে না।


ত্রুটি দেখা দিলে গাড়ির সামনের দৃশ্যমান স্থানে ‘যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে চলাচল অযোগ্য’ সাইনবোর্ড প্রদর্শন করে তা মেরামতের ব্যবস্থা করতে হবে।


মেট্রোপলিটন এলাকার ট্রাফিক বিভাগ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট যৌথভাবে অথবা পৃথকভাবে অবৈধ ই-রিকশা চলাচল বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবেন।


আরও পড়ুন

জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানালেন চীনা মন্ত্রী ২১ মিনিট আগে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানালেন চীনা মন্ত্রী

সড়ক ব্যবহার নিয়মাবলি


ই-রিকশা জাতীয় মহাসড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, প্রধান বাস চলাচলের সড়ক বা করিডোর এবং প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা আরোপিত সড়কে চলাচল করতে পারবে না।


ই-রিকশা ফুটপাতে চলাচল করতে পারবে না। চালককে সব সময় সড়কের বাম লেন অনুসরণ করতে হবে। গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করা যাবে না। নিয়মবহির্ভূতভাবে ওভারটেকিং ও লেন পরিবর্তনও নিষিদ্ধ।


নীতিমালায় বলা হয়েছে, ই-রিকশায় চালক ছাড়া আকারভেদে দুই অথবা চারজনের বেশি যাত্রী পরিবহন করা যাবে না। যাত্রীর হাতে বহনযোগ্য মালামাল ছাড়া অন্য কোনো বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহন করা যাবে না।


ই-রিকশায় ৪০ ডেসিবেলের বেশি তীব্রতার হর্ন ব্যবহার করা যাবে না। স্কুল, হাসপাতাল, ধর্মীয় উপাসনালয় বা জনবহুল স্থানে ই-রিকশার সর্বোচ্চ গতি হবে ঘণ্টায় ১৫ কিলোমিটার।


ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও রুট পারমিট


ই-রিকশা চলাচলের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ ও ট্রাফিক বিভাগ যৌথভাবে রুট বা চলাচলের সড়ক নির্ধারণ করে দেবে।

আরও পড়ুন

ষষ্ঠ দিনেও মহাসড়ক অবরোধ, পুলিশের সঙ্গে দুষ্কৃতিকারী ও শ্রমিকদের সংঘর্ষ ১ ঘণ্টা আগে ষষ্ঠ দিনেও মহাসড়ক অবরোধ, পুলিশের সঙ্গে দুষ্কৃতিকারী ও শ্রমিকদের সংঘর্ষ


সিটি করপোরেশন এলাকায় রুট হবে জোনভিত্তিক। এক জোনের ই-রিকশা অন্য জোনে চলাচল করতে পারবে না।


ই-রিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণের সুবিধার্থে সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক বিভাগ জোনভিত্তিক বিভক্তকরণসহ প্রতিটি জোনে ই-রিকশার সংখ্যা, রুট ও রং নির্ধারণ চূড়ান্ত করবে।


নীতিমালায় চালকদের প্রশিক্ষণের বিষয়েও বলা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ স্বীকৃত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে চালকদের ট্রাফিক আইন, সড়ক নিরাপত্তা, ব্যাটারি ও ই-রিকশা রক্ষণাবেক্ষণ এবং আনুষঙ্গিক বিষয়ে প্রশিক্ষণের আয়োজন করতে পারবে।


কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গে পরামর্শ করে প্রতিটি ওয়ার্ডে বা উপযুক্ত স্থানে প্রয়োজনীয় সংখ্যক পার্কিং এলাকা নির্ধারণের ব্যবস্থা করবে।


কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত ও সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশনের লাইসেন্সপ্রাপ্ত চার্জিং পয়েন্ট বা নির্দিষ্ট গ্যারেজে ই-রিকশার ব্যাটারি চার্জ দেওয়া যাবে। সংশ্লিষ্ট চার্জিং পয়েন্ট বা গ্যারেজে নবায়নযোগ্য জ্বালানি কিংবা সৌরশক্তি ব্যবহারের ব্যবস্থা করতে হবে।


কর্তৃপক্ষ সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের ভিত্তিতে, বেসরকারি খাতে অথবা অন্য কোনো উপযুক্ত প্রক্রিয়ায় স্থানীয় বিদ্যুৎ বিতরণকারী কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গে পরামর্শ করে অনুমোদিত চার্জিং স্টেশন, গ্যারেজ ও ব্যাটারি বিনিময় কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেবে।


আরও পড়ুন

রাজধানীর কল্যাণপুরে বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৪ যাত্রী নি/হত ১ ঘণ্টা আগে রাজধানীর কল্যাণপুরে বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৪ যাত্রী নি/হত

ই-রিকশার ব্যাটারি চার্জিং স্টেশনে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে উদ্যোগ নিতে ও উৎসাহিত করতে হবে। অনিয়ন্ত্রিত ও নিয়মবহির্ভূত চার্জিং পরিহার করতে হবে।


পর্যায়ক্রমে বৈধভাবে নিবন্ধিত চার্জিং স্টেশনে ই-রিকশার ব্যাটারি চার্জ করা যাবে। ব্যাটারি চার্জিং স্টেশনে নেট মিটারিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিড সংযোগের বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার সঙ্গে সোলার প্যানেলে উৎপাদিত বিদ্যুতের সংযোগ স্থাপন করে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনে দিনের বেলায় সৌরবিদ্যুৎ গ্রিডে সরবরাহ করে রাতে গ্রিডের বিদ্যুৎ ব্যবহার করে ব্যাটারি চার্জ করা যাবে।


চার্জিং স্টেশন স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন নিতে হবে। অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে চার্জ করলে বিদ্যমান সংশ্লিষ্ট আইনের আওতায় দণ্ড দেওয়া হবে।


নীতিমালায় বলা হয়েছে, সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কিংবা সংস্থা, তফসিলি ব্যাংক বা ফাইন্যান্স কোম্পানি অনুমোদিত মানের ই-রিকশা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এবং সহায়ক অবকাঠামো নির্মাণের জন্য ই-রিকশার চালক ও মালিকদের ঋণ সহায়তা দিতে পারবে।


পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের বিধান অনুসরণ


এই বিধিমালার উদ্দেশ্য পূরণে ই-রিকশা উৎপাদন, আমদানি, ব্যবহার এবং ব্যাটারি পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ ও ব্যবস্থাপনার সব ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫, এর অধীন প্রণীত বিধিমালা এবং জারি করা নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।


নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান পুরোনো বা অকার্যকর ব্যাটারি কিংবা এর অংশবিশেষ উন্মুক্ত স্থান, মাটি, জলাশয় বা সাধারণ বর্জ্যে ফেলতে কিংবা পোড়াতে পারবে না।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন

মন্তব্য (০)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন।

Bangladesh নিয়ে আরও পড়ুন