ছবি ভিডিও মতামত
সর্বশেষ
শরীরে ফাইবারের ঘাটতি হলে যে ৫ লক্ষণ দেখা দিতে পারে স্কুল-কলেজে টানা ৩ দিনের ছুটি, বন্ধ থাকবে ৬ থেকে ৮ নভেম্বর চ্যাম্পিয়নস লিগে পিএসজির রেকর্ডের ঝড়, ভিয়ারিয়ালকে ৬-০ গোলে হারাল রূপায়ন গ্রুপে চাকরির সুযোগ, আবেদন ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত নগদে চাকরির সুযোগ, আবেদন করা যাবে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত মানসিক শান্তি পেতে আজই বাদ দিন ১২টি অভ্যাস শ্রমিক অসন্তোষের নামে নৈরাজ্যের প্রতিবাদে টঙ্গীতে বিএনপির অবস্থান কর্মসূচি শ্রমিক অসন্তোষের মধ্যে পোশাকশিল্পের মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা শুরু সচিবালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সার্বক্ষণিক আইডি কার্ড প্রদর্শনের নির্দেশ ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়ল স্বর্ণের দাম, ২২ ক্যারেট ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা
বাংলাদেশ

হাইতিতে ৫২৫ পুলিশ সদস্য পাঠানোর উদ্যোগ, জাতিসংঘ মিশনে বাড়ছে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ

প্রকাশ: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১১: ৫৪
হাইতিতে ৫২৫ পুলিশ সদস্য পাঠানোর উদ্যোগ, জাতিসংঘ মিশনে বাড়ছে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ
সংগৃহীত

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশের অংশগ্রহণ বাড়াতে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে চলতি অর্থবছরের বাজেট বরাদ্দ থেকে জরুরি ভিত্তিতে ৫০টি যানবাহন কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর বাইরে আরও ১১৫টি যানবাহন ও অন্যান্য সরঞ্জাম কিনতে অতিরিক্ত ৩৫৮ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।


স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গত ২৬ অক্টোবর অতিরিক্ত অর্থ চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি পাঠায়। পুলিশ সদরদপ্তরের প্রস্তাবের ভিত্তিতে হাইতি মিশনসহ আন্তর্জাতিক মিশনে দ্রুত মোতায়েনের সক্ষমতা বাড়াতে ওই অর্থ চাওয়া হয়েছে। অর্থ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করা হচ্ছে।


প্রস্তাবে জানানো হয়, বাংলাদেশ পুলিশের আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ বাড়ানো, জাতিসংঘের জরুরি চাহিদার বিপরীতে দ্রুত সাড়া দেওয়ার সক্ষমতা তৈরি এবং হাইতিতে ভবিষ্যতে দায়িত্ব পালনের প্রস্তুতি নিতে অতিরিক্ত বরাদ্দ প্রয়োজন। হাইতিতে আইনশৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার করে নির্বাচন অনুষ্ঠানে সহায়তা করতে বাংলাদেশ পুলিশ ইতোমধ্যে ৫২৫ সদস্যের তিনটি বিশেষায়িত ফর্মড পুলিশ ইউনিট (এফপিইউ) প্রস্তুত করেছে। সম্প্রতি জাতিসংঘের একটি প্রতিনিধিদল এসব ইউনিটের প্রস্তুতি দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছে।


স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, শান্তিরক্ষা মিশনে অংশ নিয়ে একজন পুলিশ সদস্য মাসে ২ হাজার থেকে ৭ হাজার ডলার বেতন পান। এ ছাড়া গাড়ি, অস্ত্র ও বিভিন্ন সরঞ্জাম ভাড়া বাবদ মিশন থেকে বড় অঙ্কের আয় করে পুলিশ।


প্রস্তাবিত ১১৫টি যানবাহনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যয় ধরা হয়েছে ১৮টি পুলিশ আর্মার্ড প্রোটেকটেড ভেহিকেলে (পিএপিভিএস)। এতে খরচ হবে ১০৪ কোটি টাকা। এরপর রয়েছে ৯টি পুলিশ ক্রাউড কন্ট্রোল ভেহিকেল। এতে ব্যয় হবে ৫২ কোটি টাকা। এ ছাড়া ৪৬ কোটি টাকায় সাতটি এপিসি/অ্যাম্বুলেন্স, ২৯ কোটি টাকায় পাঁচটি নিরস্ত্র এপিসি এবং ২৩ কোটি টাকায় চারটি সশস্ত্র এপিসি (ক্লাস-২) কেনা হবে।

আরও পড়ুন

শ্রমিক অসন্তোষের মধ্যে পোশাকশিল্পের মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা শুরু ১৯ মিনিট আগে শ্রমিক অসন্তোষের মধ্যে পোশাকশিল্পের মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা শুরু


চারটি হালকা রক্ষণাবেক্ষণ ট্রাকে ১৮ কোটি টাকা, সামরিক রেডিওসহ ৯টি জিপে ১১ কোটি এবং চারটি রেফ্রিজারেটেড ট্রাকে ৯ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। তালিকায় আরও রয়েছে ওয়াটার ক্যানন ট্রাক, ট্রুপস ক্যারিয়ার ট্রাক, কার্গো ট্রাক, পানির ট্রাক, ফুয়েল ট্যাংকার, রিকভারি ট্রাক, ফর্কলিফট, একটি বুলেটপ্রুফ জিপ, যানবাহনের নিচের অংশ পরিষ্কারের একটি পাওয়ার ওয়াশার, স্যুয়ারেজ ট্রাক, বাস ও ফুয়েল স্টোরেজ ট্যাংকার।


এর আগে গত ১২ অক্টোবর ৫০টি যানবাহন কেনার সম্মতি চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি পাঠায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ওই চিঠিতে প্রস্তাবিত ৫০টি যানবাহনের মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয় ১৪০ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। চলতি অর্থবছরের বাজেটে শান্তিরক্ষা মিশনের মোটরযান কেনা খাতে মোট বরাদ্দ রয়েছে ১৪০ কোটি ৪৭ লাখ টাকা।


বাংলাদেশ পুলিশ ১৯৮৯ সালে নামিবিয়ায় ইউনাইটেড নেশনস ট্রানজিশন অ্যাসিস্ট্যান্স গ্রুপ (ইউএনটিএজি) মিশনে অংশ নেওয়ার মধ্য দিয়ে শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে যাত্রা শুরু করে। সাড়ে তিন দশকের বেশি সময় ধরে সংঘাতপ্রবণ অঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা পুনর্বাসন, বেসামরিক মানুষের সুরক্ষা এবং স্থানীয় পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে ভূমিকা রেখে আসছেন বাংলাদেশি পুলিশ সদস্যরা।


২০১৩ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত মিশনে বাংলাদেশ পুলিশের উপস্থিতি ছিল সর্বোচ্চ। ২০১৩ ও ২০১৬ সালে বাংলাদেশ একক দেশ হিসেবে জাতিসংঘ মিশনে সর্বোচ্চ পুলিশ প্রেরণকারী দেশ হয়। তখন মিশনে সদস্যসংখ্যা ছিল দেড় হাজার থেকে দুই হাজারের বেশি। তবে সাম্প্রতিক ভূরাজনীতি, জাতিসংঘের বাজেট সংকোচন ও মিশন কাঠামোর পরিবর্তনের কারণে সদস্যসংখ্যা কিছুটা কমেছে। সরকার ও পুলিশ সদরদপ্তর এখন পুলিশের উপস্থিতি আবার বাড়াতে সমন্বিত নীতি ও কৌশলগত পদক্ষেপ নিয়েছে।

আরও পড়ুন

সচিবালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সার্বক্ষণিক আইডি কার্ড প্রদর্শনের নির্দেশ ২১ মিনিট আগে সচিবালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সার্বক্ষণিক আইডি কার্ড প্রদর্শনের নির্দেশ


বাংলাদেশ পুলিশের দাপ্তরিক ওয়েবসাইটে অক্টোবরের হালনাগাদ করা তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে জাতিসংঘের অধীনে ৩৭১ জন বাংলাদেশি পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। এর মধ্যে ৩১৮ জন দুটি এফপিইউতে কর্মরত। ইউনিট দুটি আফ্রিকায় কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, দক্ষিণ সুদানসহ বিভিন্ন সংঘাতপ্রবণ এলাকায় জনশৃঙ্খলা রক্ষা ও বেসামরিক মানুষের সুরক্ষায় কাজ করছে। পুলিশ সদরদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ৩৭ বছরে পুলিশের ২১ হাজার ৮১৬ সদস্য শান্তিরক্ষী হিসেবে দক্ষতা ও সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।


কেন এত যানবাহন


স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো পুলিশ সদরদপ্তরের গত ৩০ সেপ্টেম্বরের চিঠিতে যানবাহন কেনার কারণ ব্যাখ্যা করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, কভিড-১৯ মহামারি ও অর্থনৈতিক কৃচ্ছ্রসাধন নীতির কারণে চাহিদা অনুযায়ী যানবাহন কেনা সম্ভব হয়নি। হাইতিতে তিনটি কন্টিনজেন্ট পাঠানোর জন্য ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৭৯টি যানবাহন কেনার সম্মতি পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু জাতিসংঘের সর্বশেষ চাহিদা অনুযায়ী, প্রতিটি এফপিইউর জন্য ৪৩টি এবং সোয়াটসহ ইউনিটের জন্য ৪৪টি যান থাকা আবশ্যক। অর্থাৎ তিন ইউনিটের জন্য মোট ১৩০টি যান লাগবে। ঘাটতি রয়েছে ৫১টি। জাতিসংঘের প্রি-ডিপ্লয়মেন্ট ভিজিটের সময় প্রতিনিধিদলকে জানানো হয়েছে, বাকি যান কেনার প্রক্রিয়া চলছে।


পুলিশ সদরদপ্তরের হিসাবে, সব মিলিয়ে ২১৩টি যানবাহন প্রয়োজন। এর মধ্যে হাইতির তিন ইউনিটের জন্য ৫১টি, র‍্যাপিড ডিপ্লয়মেন্ট লেভেলে (আরডিএল) উন্নীত করতে চাওয়া দুটি এফপিইউর জন্য ১২৫টি এবং হাইতির ইউনিটগুলোর ব্যাকআপ হিসেবে একটি স্ট্যান্ডবাই এফপিইউর জন্য ৩৭টি। আরডিএলের জন্য ১৬০ সদস্যের একটি ইউনিটে ৫৮টি এবং সোয়াটসহ ১৯৫ সদস্যের আরেকটি ইউনিটে ৬৭টি যান লাগবে।


আরও পড়ুন

চার দিন কম থাকবে গ্যাসের চাপ, সরবরাহ বন্ধের খবরকে গুজব বলল পেট্রোবাংলা ২৬ মিনিট আগে চার দিন কম থাকবে গ্যাসের চাপ, সরবরাহ বন্ধের খবরকে গুজব বলল পেট্রোবাংলা

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক, জাতিসংঘের আশ্বাস


গত ৫ থেকে ১০ জুলাই নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত ইউনাইটেড নেশনস চিফস অব পুলিশ সামিটে (ইউএনকপস) অংশ নেয় বাংলাদেশের পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে দলে আরও ছিলেন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) ও অতিরিক্ত আইজিপি (এইচআরএম)।


সফরকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন। বৈঠকে বাংলাদেশ পুলিশের এফপিইউগুলোর আরডিএল ভেরিফিকেশনের বিষয়টি তোলা হলে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে ইতিবাচক আশ্বাস দেওয়া হয়।


আরডিএল কী, কেন গুরুত্বপূর্ণ


আরও পড়ুন

৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দেশজুড়ে নানা কর্মসূচি, থাকবে সাধারণ ছুটি ২৭ মিনিট আগে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দেশজুড়ে নানা কর্মসূচি, থাকবে সাধারণ ছুটি

জাতিসংঘের পিসকিপিং ক্যাপাবিলিটি রেডিনেস সিস্টেম (পিসিআরএস) নির্দেশিকা ২০২৩-এর ৭.৪ ধারা অনুযায়ী, আরডিএলে উন্নীত কোনো ইউনিটকে পুলিশের জেনেরিক স্টেটমেন্ট অব ইউনিট রিকোয়ারমেন্টের (এসইউআর) বিপরীতে যাচাই করা হয়। জাতিসংঘ সচিবালয়ের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ পাওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে যেকোনো নতুন বা বিদ্যমান মিশনে মোতায়েন শুরু করতে ইউনিটকে প্রস্তুত থাকতে হয়।


পুলিশ সদরদপ্তর বলছে, আরডিএল শুধু প্রস্তুতির স্বীকৃতি নয়। এতে কোনো দেশের প্রতিশ্রুত ইউনিট জাতিসংঘের ফোর্স জেনারেশন প্রক্রিয়ায় আরও দৃশ্যমান হয় এবং দ্রুত বিবেচিত হয়। আরডিএল চুক্তি কার্যকর থাকা অবস্থায় নিবন্ধিত ইউনিটের মেজর ইকুইপমেন্টের নির্ধারিত রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়ের ২৫ শতাংশ ফেরত পাওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে।


হাইতির জন্য ৫২৫ সদস্যের তিন ইউনিট প্রস্তুত


হাইতির অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুনরুদ্ধার ও দেশটিতে নির্বাচনের অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে সহায়তার জন্য মাল্টিন্যাশনাল সাপোর্ট মিশন (এমএসএস) চালু হয়েছে। জাতিসংঘের গ্যাং সাপ্রেশন ফোর্স (জিএসএফ) মিশনে বাংলাদেশ পুলিশ তিনটি এফপিইউ কন্টিনজেন্ট পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ জন্য প্রতিটি ১৭৫ সদস্যের তিনটি বিশেষায়িত ইউনিট, অর্থাৎ মোট ৫২৫ জন সদস্য প্রস্তুত করা হয়েছে।


জাতিসংঘের প্রতিনিধিরা ইতোমধ্যে বাংলাদেশ পুলিশের মেজর ইকুইপমেন্টের পিডিভি সম্পন্ন করেছেন। ইউনিটগুলোর প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জামের প্রস্তুতি দেখে তাঁরা সন্তোষ প্রকাশ করেন। সোয়াটসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত সক্ষমতা এবং প্রশিক্ষণের মান বিশেষভাবে তাঁদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। আলোচনায় প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ থেকে আরও এফপিইউ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন তাঁরা।

আরও পড়ুন

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী ৪৯ মিনিট আগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী


হাইতিতে তিন ইউনিট মোতায়েনের ফলে ভবিষ্যতে রোটেশন, রিইনফোর্সমেন্ট বা অতিরিক্ত চাহিদা তৈরি হতে পারে। তাই ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং স্বল্প নোটিশে চাহিদা মেটাতে আরও একটি বিশেষায়িত এফপিইউ স্ট্যান্ডবাই রাখা কৌশলগতভাবে সমীচীন বলে মনে করছে পুলিশ সদরদপ্তর।


সরকারের তিন পরিকল্পনা


পুলিশ সদরদপ্তর ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে তিনটি কাজের কথা বলা হয়েছে। প্রথমত, নতুন তিনটি বিশেষায়িত এফপিইউ গঠন এবং প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, জনবল, মেজর ইকুইপমেন্ট ও স্বনির্ভর সক্ষমতাসহ প্রস্তুত রাখা। দ্বিতীয়ত, এর মধ্যে অন্তত দুটি এফপিইউকে আরডিএলে উন্নীত করতে প্রয়োজনীয় ভেরিফিকেশনের ব্যবস্থা নেওয়া। তৃতীয়ত, হাইতিতে মোতায়েন তিন এফপিইউর ভবিষ্যৎ রোটেশন, রিইনফোর্সমেন্ট বা বাড়তি চাহিদা বিবেচনায় অন্তত একটি বিশেষায়িত এফপিইউকে স্ট্যান্ডবাই রাখা।


পুলিশ সদরদপ্তর জানিয়েছে, এফপিইউ পাঠানোর মাধ্যমে জাতিসংঘে পাঠানো প্রতিটি যানবাহন ও অন্যান্য সরঞ্জামের বিপরীতে বৈদেশিক মুদ্রায় বড় অঙ্কের আয় করে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে বিশ্বে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন

মন্তব্য (০)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন।

Bangladesh নিয়ে আরও পড়ুন