https://newsbdc.com/international/mvf0jfp15t
সন্তান বিক্রির অভিযোগে মা ও চিকিৎসকসহ ভারতে গ্রেপ্তার ৫
ভারতের উত্তর প্রদেশে দেড় মাস বয়সী নিজের সন্তানকে বিক্রি করে অপহরণের মিথ্যা দাবি করার অভিযোগে এক নারীসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় শিশুটিকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
রোববার পুলিশ জানায়, শনিবার শিশুটির বাবা অরবিন্দ থানায় অভিযোগ করার পর ঘটনাটি সামনে আসে। অরবিন্দ বানুপুর পুখতা গ্রামের বাসিন্দা এবং ফরিদাবাদের একটি মিষ্টি তৈরির কারখানায় কাজ করেন।
আরও পড়ুন
হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা বেড়েছে, সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অক্টোবর ১৬ মিনিট আগে
অরবিন্দের অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৬ অক্টোবর তাঁর স্ত্রী ছেলের জন্য ওষুধ কিনতে কাসগঞ্জে যান। সেখানে বাসস্ট্যান্ডের একটি শৌচাগারে যাওয়ার সময় তিনি শিশুটিকে এক অপরিচিত নারীর কাছে রেখে যান। ফিরে এসে ওই নারী ও শিশুটিকে খুঁজে না পাওয়ার দাবি করেন তিনি।
তবে পুলিশের তদন্তে শিশুটিকে বিক্রির অভিযোগ সামনে আসে। পুলিশের দাবি, চিকিৎসক অরুণ কুমার ও তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে যোগসাজশ করে শিশুটিকে বিক্রি করা হয়েছিল।
পুলিশ সুপার ওপি সিং জানান, তাঁর নির্দেশে সরোন থানার পুলিশ ও জেলার বিশেষ অভিযান দলের সদস্যরা যৌথ অভিযান চালান। শনিবার চাঁদপুরা-গৌপুরা মোড়ের কাছে একটি যাত্রীছাউনিতে অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আরও পড়ুন
রিয়াদ লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, সতর্কতা জারি ২১ মিনিট আগে
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন শিশুটির মা, চিকিৎসক অরুণ কুমার, তাঁর স্ত্রী এবং হাতরাস জেলার বাসিন্দা মহিপাল ও তাঁর স্ত্রী।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, জিজ্ঞাসাবাদে শিশুটির মা দাবি করেছেন, সন্তানকে বিক্রি করে তিনি ১ লাখ ৩০ হাজার রুপি পেয়েছেন। এর মধ্যে ১ লাখ ২০ হাজার রুপি তাঁর ব্যাংক হিসাবে জমা করা হয় এবং বাকি ১০ হাজার রুপি নগদ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।
আরও পড়ুন
বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১১৬ ডলার ছাড়াল, সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ ২৯ মিনিট আগে
অন্যদিকে, হাতরাসের ওই দম্পতি পুলিশকে জানিয়েছেন, শিশুটির মায়ের সম্মতিতে চিকিৎসক ও তাঁর স্ত্রীর মাধ্যমে তাঁরা ২ লাখ রুপিতে শিশুটিকে কিনেছিলেন।
এ ঘটনায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতা ও কিশোর বিচার আইনে সরোন থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং মামলার পরবর্তী আইনি কার্যক্রম চলছে।
আন্তর্জাতিক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন।