https://newsbdc.com/national/mve5547jvk
দেশ গড়ার সংগ্রামে ধর্ম নয়, নাগরিক পরিচয়ই মুখ্য: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সংগ্রাম করেছে। একইভাবে আগামী দিনে দেশ গড়ার সংগ্রামেও ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর মহাখালী ও গুলশান-বনানীর পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে গুরুত্ব পাবে যেসব বিষয় ১৩ মিনিট আগে
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টনও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। সেই যুদ্ধে কে কোন ধর্মের মানুষ, তা বিবেচনা করা হয়নি। মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান—দেশকে ভালোবাসেন এমন সব মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেছেন।
আরও পড়ুন
রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক ১৯ মিনিট আগে
তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র হুমকির মুখে পড়লে জনগণ ভোটাধিকার ও কথা বলার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য রাজপথে নেমেছে। এসব আন্দোলনেও ধর্মীয় পরিচয় কোনো বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি।
২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেদিনও দলমত নির্বিশেষে নারী-পুরুষ এবং সব শ্রেণি-পেশার মানুষ রাজপথে নেমেছিলেন। তখনও মানুষের ধর্মীয় পরিচয় বিবেচ্য ছিল না। সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে গণ-অভ্যুত্থান সফল করেছেন।
আরও পড়ুন
টেক্সটাইল শিক্ষার মানোন্নয়ন ও গবেষণায় গুরুত্বারোপ রাষ্ট্রপতির ৩২ মিনিট আগে
দেশ গড়ার সংগ্রামে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, দেশকে স্বাধীন করা এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে যেমন ধর্ম বা জাতিগত পরিচয় বিবেচনা করা হয়নি, তেমনি আগামী দিনে দেশ গড়ার ক্ষেত্রেও ধর্মীয় পরিচয় নয়, নাগরিক পরিচয়ই প্রাধান্য পাবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষই সবার সবচেয়ে বড় পরিচয়। এ দেশের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। সেই অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হলে প্রতিটি ধর্ম ও পেশার মানুষকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ গড়ে তুলতে হবে।
আরও পড়ুন
ফুটপাত দখলমুক্ত করতে কঠোর অভিযানের ঘোষণা ডিএনসিসি প্রশাসকের ৪০ মিনিট আগে
তিনি আরও বলেন, হাজার বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্য হচ্ছে, এ দেশে সব ধর্মের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছেন। আগামী হাজার বছরও যেন সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে শান্তিতে বসবাস করতে পারেন, সেটিই সবার প্রত্যাশা হওয়া উচিত।
এর আগে রাতে প্রধানমন্ত্রী মহাখালীর রক্ষাকালী মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। সেখানে পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পরে তিনি বনানীর পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন এবং সেখানে উপস্থিত পূজারি ও দর্শনার্থীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন।