ছবি ভিডিও মতামত
সর্বশেষ
আগামীকাল জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস, দিনভর থাকছে নানা কর্মসূচি সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামো পুনর্মূল্যায়নে কমিটির নেতৃত্বে আমির খসরু স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ৭ নভেম্বরের বিপ্লব ছিল ঐতিহাসিক: প্রধানমন্ত্রী বাণিজ্য, জ্বালানি ও প্রযুক্তি খাতে সম্পর্ক জোরদারে সম্মত বাংলাদেশ-রাশিয়া সব ধর্মাবলম্বীর অংশগ্রহণে মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই: ডেপুটি স্পিকার মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির জলবায়ু অর্থায়ন ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার—প্রধানমন্ত্রীর তুরস্ক সফরে গুরুত্ব পাবে যেসব বিষয় বার্ষিক পরীক্ষার ফলের দিনই নতুন বই পাবে শিক্ষার্থীরা ঢাকার পর এবার চট্টগ্রামে বাপ্পার ‘মুনলিট মেলোডিজ’ চামড়াশিল্পের আধুনিকায়নে তুরস্কের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ
বাংলাদেশ

মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

প্রকাশ: ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২: ২৭
মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
সংগৃহীত

একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং ৭ নভেম্বরের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দুর্নীতি, বৈষম্য ও সব ষড়যন্ত্রের অবসান ঘটাতে হবে।

আরও পড়ুন

আগামীকাল জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস, দিনভর থাকছে নানা কর্মসূচি ১ ঘণ্টা আগে আগামীকাল জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস, দিনভর থাকছে নানা কর্মসূচি

আগামীকাল ৭ নভেম্বর ‘মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন

সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামো পুনর্মূল্যায়নে কমিটির নেতৃত্বে আমির খসরু ১ ঘণ্টা আগে সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামো পুনর্মূল্যায়নে কমিটির নেতৃত্বে আমির খসরু

রাষ্ট্রপতি তাঁর বাণীতে বলেন, ৭ নভেম্বরের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে দেশ ও জনগণের স্বার্থে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ দর্শনের ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালিত হবে। জাতীয় স্বার্থ, সাম্য, ন্যায্যতা ও গণতন্ত্রচর্চা পাবে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

‘মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে দেশের সব নাগরিককে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার যুগান্তকারী বিপ্লবে অংশগ্রহণকারী সব বীর সেনানী ও দেশপ্রেমিক জনতার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি।

আরও পড়ুন

স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ৭ নভেম্বরের বিপ্লব ছিল ঐতিহাসিক: প্রধানমন্ত্রী ১ ঘণ্টা আগে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ৭ নভেম্বরের বিপ্লব ছিল ঐতিহাসিক: প্রধানমন্ত্রী

বাণীতে তিনি বলেন, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় জীবনে এক অবিস্মরণীয় দিন এবং দেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ। তাঁবেদারি অপশাসন, দুর্নীতি, নৈরাজ্য ও আধিপত্যবাদী ষড়যন্ত্রের কঠিন সময়ে ঐক্যবদ্ধ সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে দেশ তার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ফিরে পায়। সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ হয়। স্বাধীনতার ঘোষক, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন। জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থনে তাঁর ওপর রাষ্ট্র পরিচালনা ও জাতীয় সংকট উত্তরণের গুরুদায়িত্ব অর্পিত হয়। জাতির এই ক্রান্তিকালে তাঁর ভূমিকা ছিল ত্রাতার।

আরও পড়ুন

বাণিজ্য, জ্বালানি ও প্রযুক্তি খাতে সম্পর্ক জোরদারে সম্মত বাংলাদেশ-রাশিয়া ১ ঘণ্টা আগে বাণিজ্য, জ্বালানি ও প্রযুক্তি খাতে সম্পর্ক জোরদারে সম্মত বাংলাদেশ-রাশিয়া

সিপাহি ও জনতার এই সংহতি স্বাধীনতার চেতনায় উজ্জীবিত এক অভূতপূর্ব জাগরণ ছিল উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, আমাদের সশস্ত্র বাহিনী দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার রক্ষায় সব সময় সংহতি ও ঐক্য প্রকাশ করেছে। একই চেতনার পুনর্জাগরণ ঘটে ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে। সে সময় ছাত্র-ছাত্রী, নারী-পুরুষ ও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যসহ সর্বস্তরের জনগণের সুদৃঢ় ঐক্যে দীর্ঘ ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে। তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার বিপর্যয় থেকেও আবার রক্ষা পায় প্রিয় স্বদেশ।

জাতীয় জীবনে এই বিপ্লব ও সংহতির গুরুত্ব অপরিসীম উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, এর ধারাবাহিকতায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র, আইনের শাসন, বাক্‌ ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। তিনি অর্থনৈতিক মুক্তি ও সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করেন। দেশকে নতজানু পররাষ্ট্রনীতি থেকে মুক্ত করে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেন। জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেন এবং সর্বস্তরে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করেন।

আরও পড়ুন

সব ধর্মাবলম্বীর অংশগ্রহণে মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই: ডেপুটি স্পিকার ১ ঘণ্টা আগে সব ধর্মাবলম্বীর অংশগ্রহণে মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই: ডেপুটি স্পিকার

তিনি আরও বলেন, জাতীয় স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে বারবার ষড়যন্ত্র হয়েছে, গণতন্ত্র ভূলুণ্ঠিত হয়েছে এবং ফ্যাসিবাদী দুঃশাসন চেপে বসেছে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি নির্বাচিত সরকারের নেতৃত্বে দেশ আবার গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসহ রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানকে আরও শক্তিশালী করা অপরিহার্য।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন

মন্তব্য (০)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন।

Bangladesh নিয়ে আরও পড়ুন