https://newsbdc.com/religion/mvg8wqvmwj
আজ মহানবমী, দুর্গোৎসবে বিদায়ের সুর
শারদীয় দুর্গাপূজার চতুর্থ দিন আজ মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) মহানবমী। পূজার আনুষ্ঠানিকতা, অঞ্জলি নিবেদন ও আরতির মধ্য দিয়ে দিনটি উদ্যাপন করবেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। মহানবমীর মধ্য দিয়ে দুর্গোৎসবের বিদায়পর্ব শুরু হওয়ায় মণ্ডপে মণ্ডপে আনন্দের পাশাপাশি বিষাদের আবহও তৈরি হয়েছে। আগামীকাল বুধবার (২১ অক্টোবর) বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের দুর্গোৎসব।
আরও পড়ুন
২০২৭ সালের রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ ২০ অক্টোবর ২০২৬
হিন্দুধর্মীয় রীতি অনুযায়ী, মহানবমীতে দেবী দুর্গার বিশেষ পূজা ও আরাধনা করা হয়। এদিন সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয় মহাআরতি। বিভিন্ন পূজামণ্ডপে পূজা-অর্চনা, অঞ্জলি নিবেদন ও প্রসাদ বিতরণের আয়োজন রয়েছে। কোথাও কোথাও শাস্ত্রীয় রীতি অনুসারে নবমী হোম ও বলিদানের আনুষ্ঠানিকতাও পালিত হয়।
দুর্গাপূজার অষ্টমী ও নবমী তিথির সন্ধিক্ষণে অনুষ্ঠিত সন্ধিপূজা এই উৎসবের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় আচার। প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, অষ্টমী তিথির শেষ ২৪ মিনিট এবং নবমী তিথির প্রথম ২৪ মিনিট মিলিয়ে সন্ধিপূজা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় দেবী চামুণ্ডার আরাধনা করা হয়। অনেক মণ্ডপে ১০৮টি প্রদীপ প্রজ্বালন ও ১০৮টি পদ্মফুল নিবেদনের মধ্য দিয়ে এ পূজা সম্পন্ন করা হয়।
আরও পড়ুন
মহল্লার মসজিদে শিশুদের কোরআন শিক্ষার নতুন আয়োজন ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হিন্দুশাস্ত্রের বর্ণনা অনুযায়ী, দেবী দুর্গা অশুভ শক্তির প্রতীক মহিষাসুরকে বধ করে শুভ শক্তির বিজয় প্রতিষ্ঠা করেন। দেবীর এই বিজয় অন্যায় ও অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে ন্যায় ও কল্যাণের জয়ের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। মহানবমীর পূজা-অর্চনায় সেই বিশ্বাস ও আধ্যাত্মিক তাৎপর্য বিশেষভাবে উঠে আসে।
গত শনিবার মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হয় পাঁচ দিনের শারদীয় দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা। ষষ্ঠীতে দেবীর বোধন ও আমন্ত্রণের পর সপ্তমী, অষ্টমী ও নবমীতে চলে পূজা-অর্চনা। আগামীকাল বিজয়া দশমীতে দেবী দুর্গার বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা এবং প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।
আরও পড়ুন
রমজানের আগে মসজিদ সংস্কারে স্থানীয়দের উদ্যোগ ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মহানবমী উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন পূজামণ্ডপে ভক্তদের সমাগম হবে। উৎসবের শেষ দিনগুলোতে পূজামণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রস্তুতিও গুরুত্বপূর্ণ। ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উৎসব উদ্যাপনের প্রত্যাশা সবার।
ধর্ম থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন।