https://newsbdc.com/sara-desh/mvdgueipdf
হেমন্তের শুরুতেই মেহেরপুরে শীতের আমেজ, ভোরে পড়ছে কুয়াশা
বাংলা বর্ষপঞ্জির কার্তিক মাসের শুরুতেই মেহেরপুরে অনুভূত হচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা। দিনের তাপমাত্রায় তেমন পরিবর্তন না এলেও সন্ধ্যার পর হালকা কুয়াশা, ভোরের শীতলতা ও ঘাসে জমে থাকা শিশির জানান দিচ্ছে ঋতু পরিবর্তনের আভাস।
গত এক সপ্তাহ ধরে জেলার বিভিন্ন এলাকায় সন্ধ্যার পর কুয়াশা পড়তে দেখা যাচ্ছে, যা সকাল পর্যন্ত স্থায়ী হচ্ছে। সকাল ৮টা পর্যন্ত রাস্তার পাশের ঘাস, গাছের পাতা ও ফসলে শিশির জমে থাকতে দেখা যায়। রাতে শুরুতে বৈদ্যুতিক পাখা চালু থাকলেও গভীর রাতে তা বন্ধ করতে হচ্ছে। বয়স্কদের অনেকে গায়ে জড়াচ্ছেন চাদর বা হালকা কাঁথা।
আরও পড়ুন
পূর্বাচলে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে তিন বন্ধুর মর্মান্তিক মৃত্যু ১৮ ঘণ্টা আগে
স্থানীয়দের ধারণা, এ বছর মেহেরপুরে আগেভাগেই শীতের আবহ শুরু হয়েছে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এ জেলায় গত কয়েক বছর শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হওয়ায় এবারও শীত বেশি পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা।
কুঞ্জনগর গ্রামের মজনুর রহমান বলেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার আগেই শীতের আবহ দেখা যাচ্ছে। তাঁর মতে, এটি আগামী দিনের জন্য আগাম সতর্কবার্তা হতে পারে। গত বছরও শীতের মৌসুমে মেহেরপুর ও পার্শ্ববর্তী চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা অনুভূত হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আরও পড়ুন
গাজীপুরে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় এসআইসহ নিহত ২, আহত ২ ২১ ঘণ্টা আগে
গাংনী মহিলা কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রমজান আলী জানান, তিনি নিয়মিত ভোরে হাঁটতে বের হন। গত কয়েক দিন ধরে স্বাভাবিক সময়ের আগেই কুয়াশা দেখতে পাচ্ছেন। এ কারণে এবার শীতের তীব্রতা বাড়তে পারে বলে তাঁর আশঙ্কা।
আরও পড়ুন
চকরিয়ায় শ্যামলী বাসের সঙ্গে পিকআপের সংঘর্ষ, নিহত ২ ২১ ঘণ্টা আগে
এদিকে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. একরামুল হক বলেন, শীতের আগাম আভাসের মধ্যে শিশু ও বয়স্কদের বাড়তি যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা কমে গেলে ঠান্ডাজনিত অসুস্থতার ঝুঁকি বাড়তে পারে। এ সময় ঘুমানোর সময় ফুলহাতা পোশাক বা পাতলা চাদর ব্যবহার করার পরামর্শ দেন তিনি।
তবে আগাম কুয়াশা বা শীতের অনুভূতি থেকেই পুরো শীত মৌসুমে তীব্রতা বেশি হবে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও তাপমাত্রার ধারাবাহিক তথ্য বিবেচনা করা প্রয়োজন।
সারা দেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন।