https://newsbdc.com/sara-desh/mvi209h2hj
সাজেকে আবারও অনির্দিষ্টকালের অবরোধ, পর্যটকদের এলাকা ছাড়ার অনুরোধ
তিন দফা দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া এবং প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি পূরণ না করার অভিযোগে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল থেকে সাজেক পর্যটন সড়কে আবারও অনির্দিষ্টকালের অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কারবারি অ্যাসোসিয়েশন।
বুধবার (২১ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে এ ঘোষণা দেন সাজেক কারবারি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নতুন জয় চাকমা এবং সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক বাবুধন চাকমা। পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত অবরোধ চলবে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়।
আরও পড়ুন
পূর্বাচলে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে তিন বন্ধুর মর্মান্তিক মৃত্যু ১৩ ঘণ্টা আগে
বিবৃতিতে বলা হয়, বাঘাইহাট ও মাচলং বাজার দুর্গাপূজা উদযাপন কমিটির অনুরোধ এবং শারদীয় দুর্গাপূজার প্রতি সম্মান জানিয়ে ১৬ থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত অবরোধ স্থগিত রাখা হয়েছিল। এ সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হওয়ায় আবারও কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন
গাজীপুরে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় এসআইসহ নিহত ২, আহত ২ ১৬ ঘণ্টা আগে
এর আগে ১১ অক্টোবর থেকে সাজেক পর্যটন সড়কে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ শুরু করে সংগঠন দুটি। সে সময় বাঘাইহাট জোনের উপ-অধিনায়ক মো. সালমান ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যদের সাজেক এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়াসহ তিন দফা দাবি পূরণের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল বলে সংগঠনগুলোর নেতারা জানান।
শর্তসাপেক্ষে অবরোধ স্থগিত করা হলেও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হওয়ার অভিযোগে ১৫ অক্টোবর আবারও কর্মসূচি পালন করা হয়। পরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১৬ থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত অবরোধ স্থগিত রাখা হয়।
আরও পড়ুন
চকরিয়ায় শ্যামলী বাসের সঙ্গে পিকআপের সংঘর্ষ, নিহত ২ ১৬ ঘণ্টা আগে
যৌথ বিবৃতিতে সংগঠন দুটির নেতারা অভিযোগ করেন, জেএসএসের সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যরা এখনো আগের অবস্থানে রয়েছেন। তাঁদের দাবি, শতাধিক সাধারণ মানুষকে মৃত্যুর হুমকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে। গ্রামবাসীদের মুঠোফোন কেড়ে নেওয়া হচ্ছে এবং নিরাপত্তাহীনতার কারণে জুমচাষীরা নিজেদের জমিতে যেতে পারছেন না।
আরও পড়ুন
অপ্রতিম হত্যা: চারজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট ১৬ ঘণ্টা আগে
বিবৃতিতে আরও অভিযোগ করা হয়, সেনাবাহিনীর অভিযান কার্যকর ভূমিকা রাখছে না এবং সশস্ত্র সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে প্রতিবাদকারীদের হয়রানি করা হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।
এদিকে সাজেকে অবস্থানরত পর্যটকদের বুধবারের মধ্যেই পর্যটন এলাকা ত্যাগ করার অনুরোধ জানিয়েছে সংগঠন দুটি। অবরোধ চলাকালে ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স ও শববাহী গাড়ি, জরুরি ওষুধ সরবরাহকারী যানবাহন, সংবাদপত্র বহনকারী যান এবং সংবাদ সংগ্রহে নিয়োজিত সাংবাদিকদের গাড়ি কর্মসূচির আওতামুক্ত থাকবে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।
সারা দেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন।