https://newsbdc.com/national-crime/mvks66l74g
গাজীপুরে মাদ্রাসায় শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের পর শুক্রবার তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গাছা থানার কলমেশ্বর এলাকার ডেঙ্গুর আলী সড়কে অবস্থিত দারুল হেদায়া কওমি মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। মামলার আসামিরা হলেন মো. অলিউল্লাহ ইসলাম (২৩), মোহাম্মদ মিজান (৩৮) ও মো. আব্দুল কুদ্দুস শেখ (৪৫)। এজাহারে অলিউল্লাহ ইসলামকে ওই মাদ্রাসার শিক্ষক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন
সালাহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংবিধান সংশোধন কমিটির বৈঠক ৩ ঘণ্টা আগে
এজাহারে শিশুটির মায়ের অভিযোগ, গত ৭ অক্টোবর তিনি ছেলেকে মাদ্রাসার আবাসিক বিভাগে রেখে আসেন। ১৩ অক্টোবর দুপুরে ছেলে বাসায় খেতে এলে গোসল করানোর সময় শরীরের একটি অংশে তীব্র ব্যথার কথা জানায়।
মায়ের কাছে শিশুটি অভিযোগ করে, ১০ অক্টোবর রাত আনুমানিক ১টার দিকে অন্য শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় অভিযুক্ত শিক্ষক তাকে জাগিয়ে ভয়ভীতি ও প্রলোভন দেখান। পরে মাদ্রাসার স্টোররুমে নিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়ন করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।
আরও পড়ুন
৬৪ লাখের বেশি এনআইডি সংশোধন আবেদন নিষ্পত্তি করেছে ইসি ৪ ঘণ্টা আগে
এজাহারে আরও বলা হয়েছে, ১১ অক্টোবর রাত আনুমানিক দেড়টা এবং ১২ অক্টোবর রাত ৩টার দিকে একই স্থানে নিয়ে শিশুটিকে আবারও নিপীড়ন করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি কাউকে জানালে মারধরের ভয় দেখানো হয়েছিল বলেও দাবি করা হয়েছে।
শিশুটির মায়ের অভিযোগ, ঘটনা জানার পর তিনি মাদ্রাসায় গিয়ে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন। তাঁর দাবি, মাদ্রাসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুই ব্যক্তি অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। পরে অভিযুক্ত শিক্ষককে কৌশলে মাদ্রাসা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও দাবি করা হয়েছে, ওই মাদ্রাসায় পড়াশোনা করা ১০ বছর বয়সী আরেক শিশুও অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে একাধিকবার যৌন নিপীড়নের অভিযোগ করেছে। পরবর্তী সময়ে আরও কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে বলে জানতে পেরেছেন বলে দাবি করেন বাদী।
আরও পড়ুন
বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ, গভীর সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা ৪ ঘণ্টা আগে
এজাহার অনুযায়ী, ঘটনার পর শিশুটিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। শিশুটির মা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা এবং সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
গাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম রব্বানী বলেন, এ ঘটনায় তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন।