ছবি ভিডিও মতামত
সর্বশেষ
সাংবাদিক এস এম মুন্না আর নেই সৌদি বিমানবন্দরে ফের হামলা: বাতিল ২২ হাজার বাংলাদেশি যাত্রীর ১৪৪টি ফ্লাইট নিরাপত্তা যাচাই শেষে সচল হলো জনতা ব্যাংকের ওয়েবসাইট কোনো ব্যাংকের ওয়েবসাইট হ্যাক হয়নি: বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র টেকনাফে যৌথ বাহিনীর অভিযান, জব্দ ৩ কোটি টাকার কারেন্ট জাল রিয়ালের রেকর্ড ভেঙে ইতিহাস গড়ার সুযোগ বার্সেলোনার মেট্রোরেল স্টেশনে বসছে মেটাল ডিটেক্টর ও লাগেজ স্ক্যানার আনিসুল হকের বিরুদ্ধে ১৭২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মামলায় চার্জশিট গ্রহণ পর্যটন কার্নিভাল শেষে কুয়াকাটা সৈকত পরিচ্ছন্নতায় ছাত্রদলের দুই শতাধিক নেতাকর্মী জাইমা রহমানের জন্মদিনে শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যতিক্রমী আয়োজন
বাংলাদেশ

দেশের ৭০ পৌরসভায় ৩০০ কোটি টাকার প্রকল্প নিচ্ছে সরকার

প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১: ৫৪
দেশের ৭০ পৌরসভায় ৩০০ কোটি টাকার প্রকল্প নিচ্ছে সরকার
সংগৃহীত

দেশের আট বিভাগের ৭০টি পৌরসভায় স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন, ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সহায়তা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার প্রকল্প নিচ্ছে সরকার। ‘প্রবৃদ্ধি: নির্বাচিত পৌরসভায় স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পে সরকারের অর্থায়ন থাকবে ২৫৪ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। সুইজারল্যান্ডের উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা সুইস ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন (এসডিসি) অনুদান দেবে ৪৫ কোটি টাকা।

স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রস্তাবিত প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২৯৯ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। আগামীকাল রবিবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদনের জন্য এটি উপস্থাপনের কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমান সভায় সভাপতিত্ব করবেন।

আরও পড়ুন

সাংবাদিক এস এম মুন্না আর নেই ৩ মিনিট আগে সাংবাদিক এস এম মুন্না আর নেই

পরিকল্পনা কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০৩০ সালের মার্চ পর্যন্ত প্রকল্পটি বাস্তবায়নের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর আওতায় নির্বাচিত পৌরসভাগুলোতে স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন কাঠামো প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া, নিজস্ব রাজস্ব আদায় বাড়ানো, সেবার মান উন্নত করা এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন

মেট্রোরেল স্টেশনে বসছে মেটাল ডিটেক্টর ও লাগেজ স্ক্যানার ৪১ মিনিট আগে মেট্রোরেল স্টেশনে বসছে মেটাল ডিটেক্টর ও লাগেজ স্ক্যানার

প্রকল্পের প্রধান কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে ৭০টি পৌরসভায় স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে অনুদান, ডিজিটাল ওয়ানস্টপ সার্ভিস সেন্টার ও ই-পেমেন্ট চালু, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা এবং জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউটের (এনআইএলজি) কার্যক্রমে সহায়তা।

ব্যয় বিভাজন অনুযায়ী, ৭০টি পৌরসভায় স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন কাঠামো বাস্তবায়নে অনুদান হিসেবে ১৯৬ কোটি ৯১ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। ডিজিটাল সেবা চালুতে ৩০ কোটি ৪৫ লাখ টাকা, এনআইএলজির জন্য ২৮ কোটি টাকা, অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণে দুই কোটি ৯৫ লাখ টাকা এবং গবেষণায় ১৯ কোটি ৮২ লাখ টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা রয়েছে।

আরও পড়ুন

জাইমা রহমানের জন্মদিনে শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যতিক্রমী আয়োজন ১ ঘণ্টা আগে জাইমা রহমানের জন্মদিনে শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যতিক্রমী আয়োজন

ডিজিটাল ওয়ানস্টপ সেবা ও ই-পেমেন্ট চালু হলে নাগরিক ও উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন সেবা গ্রহণ সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি স্থানীয় ব্যবসার সম্ভাবনা চিহ্নিত করা, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারির (পিপিপি) মাধ্যমে বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সহায়তার মাধ্যমে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। নারী, যুব ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং টেকসই কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাও প্রকল্পের লক্ষ্য।

পরিকল্পনা কমিশনের নথি অনুযায়ী, এর আগে ‘প্রবৃদ্ধি: স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন’ প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে নির্বাচিত সাতটি পৌরসভায় ‘বাংলা এলইডি মডেল’ চালু করা হয়। ওই পর্যায়ে প্রায় ৩৮ হাজার উদ্যোক্তা এবং ৫০ হাজার সেবাগ্রহীতা সরাসরি উপকৃত হয়েছেন। এ ছাড়া প্রায় ৪৯ হাজার ১১১টি নতুন কর্মদিবস সৃষ্টি হয়েছে এবং স্থানীয় উদ্যোক্তাদের আয় প্রায় ১২ কোটি টাকা বেড়েছে। সংশ্লিষ্ট পৌরসভাগুলো অতিরিক্ত প্রায় আট কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করতে সক্ষম হয়েছে।

আরও পড়ুন

রাজউকের অনলাইন পারমিট সেবায় ৭ মাসে প্রায় ১১ হাজার আবেদন ২ ঘণ্টা আগে রাজউকের অনলাইন পারমিট সেবায় ৭ মাসে প্রায় ১১ হাজার আবেদন

প্রথম পর্যায়ের অভিজ্ঞতার ধারাবাহিকতায় এবার প্রকল্পের আওতা সাতটি থেকে বাড়িয়ে ৭০টি পৌরসভায় নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে দেশের আট বিভাগের নির্বাচিত ‘ক’, ‘খ’ ও ‘গ’ শ্রেণির পৌরসভাগুলো অন্তর্ভুক্ত হবে।

পৌরসভা নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা, জনসংখ্যা ও সেবার চাহিদা, দারিদ্র্য ও উন্নয়ন ঘাটতি, স্থানীয় অর্থনৈতিক সম্ভাবনা, কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা উন্নয়নের সুযোগ, রাজস্ব বৃদ্ধির সম্ভাবনা এবং ডিজিটাল সেবা চালুর প্রস্তুতি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যোগাযোগব্যবস্থা, আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ভূমিকা এবং জলবায়ু ও ভৌগোলিক ঝুঁকিও বিবেচনা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

নিম্নচাপটি রূপ নেবে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে, আঘাত হানতে পারে বুধবার ২ ঘণ্টা আগে নিম্নচাপটি রূপ নেবে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে, আঘাত হানতে পারে বুধবার

গত ১৪ জুন ২০২৬ পরিকল্পনা কমিশনে অনুষ্ঠিত প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব পুনর্গঠন করে পাঠানো হয়। পরিকল্পনা কমিশনের কৃষি, পানি ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের সদস্য (ভারপ্রাপ্ত সচিব) কবির আহমেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নির্বাচিত পৌরসভাগুলোতে স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন কাঠামো প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাবে। একই সঙ্গে রাজস্ব ও সেবাদানের সক্ষমতা বাড়বে এবং ডিজিটাল সেবা, উদ্যোক্তা সহায়তা ও বিনিয়োগের সুযোগ সম্প্রসারিত হবে।


বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন

মন্তব্য (০)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন।

Bangladesh নিয়ে আরও পড়ুন