https://newsbdc.com/entertainment/mvc7ie6gsz
সাবিলা নূরের সাত বছরের সংসার ভাঙার গুঞ্জন, মুখ খুলছেন না কেউ
ছোট ও বড় পর্দার অভিনেত্রী সাবিলা নূর এবং তাঁর স্বামী নেহাল সুনন্দ তাহেরকে ঘিরে দাম্পত্য জীবনে টানাপোড়েন ও আলাদা থাকার গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। ২০১৯ সালে বিয়ে করা এই তারকা দম্পতির সম্পর্ক নিয়ে বিনোদন অঙ্গনে আলোচনা চললেও বিচ্ছেদের বিষয়ে এখনো তাঁদের কারও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ‘রকস্টার’ সিনেমায় কাজের সূত্রে অভিনেত্রী সাবিলা নূরের সঙ্গে চিত্রগ্রাহক (ডিরেক্টর অব ফটোগ্রাফি—ডিওপি) আবদুল মামুনের ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। এ সম্পর্ককে কেন্দ্র করে সাবিলার দাম্পত্য জীবনে টানাপোড়েনের অভিযোগও সামনে এসেছে। তবে এসব দাবি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য ছাড়া অভিযোগগুলোকে প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
আরও পড়ুন
চীনে মুক্তি পেল প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য এআই চলচ্চিত্র, বক্স অফিসে অনিশ্চয়তা ১৮ ঘণ্টা আগে
একই প্রতিবেদনে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করা তিশা নামের এক তরুণীর অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে। তাঁর দাবি, আবদুল মামুনের সঙ্গে দীর্ঘ সাত বছরের সম্পর্ক ছিল তাঁর এবং তাঁদের বিয়ের তারিখও নির্ধারিত হয়েছিল। কিন্তু বিয়ের অল্প কিছুদিন আগে মামুন বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান। তিশার অভিযোগ, সাবিলা নূরের সঙ্গে মামুনের সম্পর্কের কারণেই তাঁদের বিয়ে ভেঙে যায়।
তিশার এসব বক্তব্যও অভিযোগের পর্যায়ে রয়েছে। এ বিষয়ে আবদুল মামুনের বক্তব্য প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। ফলে ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে সংশ্লিষ্ট সবার বক্তব্য জানা প্রয়োজন।
আরও পড়ুন
নরওয়েতে একা দেব, রুক্মিণীর সঙ্গে দূরত্বের গুঞ্জন ১৯ ঘণ্টা আগে
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বিষয়টি নিয়ে সিনেমাটির পরিচালক আজমান রুশোর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি তাৎক্ষণিক মন্তব্য করেননি। অন্যদিকে সাবিলা নূর ও তাঁর স্বামী নেহাল সুনন্দ তাহেরের পক্ষ থেকেও কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা আসেনি।
আরও পড়ুন
ঐশ্বরিয়ার হাত ছোঁয়ায় সালমানকে বকেছিলেন বানসালি, জানালেন স্মিতা ২০ ঘণ্টা আগে
তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা তৈরি হলেও যাচাই করা তথ্য ও গুঞ্জনের মধ্যে পার্থক্য রাখা জরুরি। সাবিলা নূরের দাম্পত্য সম্পর্কের বর্তমান অবস্থা কিংবা তাঁকে ঘিরে ওঠা অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য না পাওয়া পর্যন্ত বিষয়টি অনিশ্চিতই থাকছে।
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন।