ছবি ভিডিও মতামত
সর্বশেষ
৬৪ লাখের বেশি এনআইডি সংশোধন আবেদন নিষ্পত্তি করেছে ইসি বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ, গভীর সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা ইরানে নতুন করে হামলা না চালানোর আহ্বান আট দেশের শিক্ষাক্রমে যুক্ত হচ্ছে নতুন ৪ বই, বদলাবে শিখনপদ্ধতি দেশের ৭০ পৌরসভায় ৩০০ কোটি টাকার প্রকল্প নিচ্ছে সরকার জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঘরে তিন দিনের খাবার-পানি রাখার পরামর্শ যুক্তরাজ্যের ভারত-পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে ক্ষুধা জয়ের অনন্য লড়াইয়ে বাংলাদেশ ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাস দুর্ঘটনা, নিহত ৩ ও আহত ১৬ খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম সড়ক অবরোধ, দুর্ভোগে যাত্রীরা হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা বেড়েছে, সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অক্টোবর
আন্তর্জাতিক

ইরানে ‘মাদার অব অল বম্বস’ ব্যবহারের কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২: ২৪
ইরানে ‘মাদার অব অল বম্বস’ ব্যবহারের কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র
সংগৃহীত

ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো ও পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে নিজেদের সবচেয়ে বড় অ-পারমাণবিক বোমা ‘মাদার অব অল বম্বস’ ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও ইরানে সামরিক অভিযান শুরুর নির্দেশ দিলে এই বোমা ব্যবহার করা হতে পারে। কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন।

জিবিইউ-৪৩/বি নামের বোমাটি ‘মাদার অব অল বম্বস’ বা ‘সব বোমার মা’ নামে পরিচিত। এর ওজন প্রায় ৯ হাজার ৮০০ কেজি। এটি যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভান্ডারের সবচেয়ে বড় অ-পারমাণবিক বোমা। ২০১৭ সালে আফগানিস্তানে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) অবস্থানে হামলা চালাতে প্রথমবারের মতো বোমাটি ব্যবহার করা হয়।

আরও পড়ুন

ইরানে নতুন করে হামলা না চালানোর আহ্বান আট দেশের ৩৯ মিনিট আগে ইরানে নতুন করে হামলা না চালানোর আহ্বান আট দেশের

ইরানে এই বোমা ব্যবহার করা হলে চলমান সংঘাত আরও তীব্র হতে পারে। তবে সামরিক কর্মকর্তাদের মধ্যে এর কার্যকারিতা নিয়ে সংশয় রয়েছে। বোমাটি বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে সক্ষম হলেও ভূগর্ভের গভীরে থাকা সুরক্ষিত পারমাণবিক স্থাপনা ধ্বংস করার ক্ষেত্রে এটি কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

আরও পড়ুন

জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঘরে তিন দিনের খাবার-পানি রাখার পরামর্শ যুক্তরাজ্যের ১ ঘণ্টা আগে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঘরে তিন দিনের খাবার-পানি রাখার পরামর্শ যুক্তরাজ্যের

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ধারণা, ইরানের পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন এলাকায় দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচির কিছু উপাদান রাখা হয়েছে। পাহাড়টির ভেতরে গ্রানাইটের স্তর দিয়ে সুরক্ষিত স্থাপনা রয়েছে বলেও ধারণা করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, গভীর ভূগর্ভস্থ এসব স্থাপনায় আঘাত হানার জন্য এমওএবির মাটির নিচে প্রবেশের ক্ষমতা যথেষ্ট নয়।

বোমাটির বিস্ফোরণে বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। তাই জনবসতির কাছাকাছি জ্বালানি অবকাঠামো বা অন্য কোনো স্থাপনায় এটি ব্যবহার করা হলে বেসামরিক মানুষের প্রাণহানির ঝুঁকিও রয়েছে।

আরও পড়ুন

হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা বেড়েছে, সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অক্টোবর ২ ঘণ্টা আগে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা বেড়েছে, সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অক্টোবর

মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসন এমন সামরিক পদক্ষেপের বিকল্প খুঁজছে, যার মাধ্যমে যুদ্ধের অবসান ঘটানোর পাশাপাশি নিজেদের বিজয় দাবি করা সম্ভব হবে। যুক্তরাষ্ট্রে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে যুদ্ধের প্রতি জনসমর্থন কমে যাওয়ায় প্রশাসনের ওপর চাপও বাড়ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে ট্রাম্প সম্প্রতি বলেছেন, নির্বাচনের আগে ইরানে নতুন করে হামলা চালানোর পরিকল্পনা নেই। তাঁর উপদেষ্টাদের কেউ কেউ মনে করছেন, পরিস্থিতি অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তিত হতে পারে।

আরও পড়ুন

রিয়াদ লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, সতর্কতা জারি ২ ঘণ্টা আগে রিয়াদ লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, সতর্কতা জারি

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ইরান যাতে কখনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে ট্রাম্প সব ধরনের বিকল্প খোলা রেখেছেন। পেন্টাগনও বলেছে, প্রেসিডেন্টের নির্দেশ বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন ধরনের সামরিক পরিস্থিতি নিয়ে পরিকল্পনা করা হয়।

আরও পড়ুন

বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১১৬ ডলার ছাড়াল, সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ ২ ঘণ্টা আগে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১১৬ ডলার ছাড়াল, সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ

সামরিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, ইরানকে চূড়ান্তভাবে পরাজিত করতে হলে স্থলবাহিনী পাঠিয়ে বড় ধরনের অভিযান চালানোর প্রয়োজন হতে পারে। তবে এ ধরনের অভিযানে হাজার হাজার মার্কিন সেনার প্রাণহানির ঝুঁকি রয়েছে। ট্রাম্প অবশ্য ইরানে মার্কিন সেনা পাঠানোর বিষয়ে আগ্রহ দেখাননি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

২০০৩ সালে ইরাক যুদ্ধের সময় বোমাটি তৈরি করা হয়। এটি মাটিতে আঘাত করার আগেই বিস্ফোরিত হয়ে চারদিকে প্রবল চাপ ও বিস্ফোরণ ছড়িয়ে দেয়। শত্রুপক্ষের বড় সেনাদলকে আতঙ্কিত করা এবং আত্মসমর্পণে বাধ্য করার মতো মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব তৈরিও অস্ত্রটি নকশার অন্যতম লক্ষ্য ছিল।

মন্তব্য (০)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন।

আন্তর্জাতিক নিয়ে আরও পড়ুন