https://newsbdc.com/national/mv99vu2fpg
সরকারি প্রতিষ্ঠানে ৫ লাখ ২১ হাজারের বেশি পদ শূন্য
দেশের সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ৫ লাখ ২১ হাজার ৯২২টি পদ শূন্য রয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০২৬ সালের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়।
সংসদীয় কমিটির সূত্র জানায়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে মোট অনুমোদিত পদ ১৯ লাখ ৮৬ হাজার ২৭২টি। এর মধ্যে কর্মরত রয়েছেন ১৪ লাখ ৬৪ হাজার ৩৫০ জন। সে হিসাবে শূন্য পদের সংখ্যা ৫ লাখ ২১ হাজার ৯২২টি।
আরও পড়ুন
বরেন্দ্র অঞ্চলের ১২৩ উপজেলায় পানি ও স্যানিটেশন সুবিধা বাড়াবে সরকার ১ মিনিট আগে
বৈঠকে জানানো হয়, শূন্য পদ পূরণে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সরকারের যাত্রা শুরুর পর প্রথম ১৮০ দিনে ২ হাজার ৮৭৯টি পদ পূরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। এর মধ্যে ২ হাজার ৬১টি পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন
সালাহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংবিধান সংশোধন কমিটির বৈঠক ৩ ঘণ্টা আগে
বৈঠকে বিরোধী দলের একজন সদস্য অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরও একজন প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। এ ছাড়া রাজনৈতিক কারণে কোনো কোনো কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি।
অসহযোগিতাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ
‘সবার ওপরে বাংলাদেশ’ নীতি বাস্তবায়নে সরকারি কার্যক্রমে অসহযোগিতা বা অবহেলা করছেন—এমন ব্যক্তিদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি। পাশাপাশি যেসব প্রকল্পের বাস্তবায়ন ধীরগতিতে চলছে, সেগুলো চিহ্নিত করে পর্যালোচনারও সুপারিশ করা হয়েছে। বৈঠক শেষে সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
আরও পড়ুন
৬৪ লাখের বেশি এনআইডি সংশোধন আবেদন নিষ্পত্তি করেছে ইসি ৪ ঘণ্টা আগে
বৈঠকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার কার্যক্রম সম্পর্কে কমিটিকে অবহিত করা হয়। রাষ্ট্র মেরামনে মননশীলতার পরিবর্তন এবং ৩১ দফা সংস্কার বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ের সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার পরামর্শ দেয় কমিটি।
কমিটির সভাপতি সাঈদ আহমেদ বলেন, কোনো সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে আইনগত, প্রশাসনিক বা বাস্তব কোনো বাধা থাকলে তা কমিটির সামনে তুলে ধরতে হবে। কোনো তথ্য গোপন না করে প্রয়োজনীয় নথি ও বাস্তব পরিস্থিতি উপস্থাপন করতে হবে।
আরও পড়ুন
বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ, গভীর সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা ৪ ঘণ্টা আগে
তিনি আরও বলেন, নাগরিক সেবা সহজ ও দ্রুত করতে হবে এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। ডিজিটাল সেবা ও তথ্যপ্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমে নাগরিকের সময়, অর্থ ও শ্রম সাশ্রয় করতে হবে। পাশাপাশি অনিয়মের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।
আরও পড়ুন
দেশের ৭০ পৌরসভায় ৩০০ কোটি টাকার প্রকল্প নিচ্ছে সরকার ৫ ঘণ্টা আগে
সাঈদ আহমেদ বলেন, “সমস্যা সমাধানে আমাদের পূর্বের ধ্যানধারণা থেকে বের হয়ে এসে জবাবদিহি, স্বচ্ছতা ও সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে। আপনারা ভুলে যাবেন না যে আপনারা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী। কোনো দলের, ব্যক্তির বা গোষ্ঠীর নন। এই কমিটিকে কেউ প্রতিপক্ষ ভাববেন না, এটি আমাদের সবার কমিটি।”
বৈঠকে কমিটির সভাপতি সাঈদ আহমেদ সভাপতিত্ব করেন। এতে অংশ নেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আবদুল বারী, এ বি এম আশরাফ উদ্দিন, শাহজাহান চৌধুরী, আমিরুল ইসলাম খান, ফখর উদ্দিন আহমেদ, রেহেনা আক্তার ও মো. নূরুল ইসলাম।
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন।