https://newsbdc.com/national/mw0h94k1no
বিচারকের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ, চালকের বিভাগীয় মামলা স্থগিত
ট্রাইব্যুনালের গাড়িচালক আলী হোসেনের করা রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন।
আরও পড়ুন
ওমরাহ পালনে ২২ সদস্যকে সৌদি আরব পাঠাচ্ছে আনসার-ভিডিপি ১ ঘণ্টা আগে
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. বাকির হোসেন ও ব্যারিস্টার আবু সাদেক আব্দুল্লাহ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর মোহাম্মদ আজমী।
ঘটনার বিষয়ে গাড়িচালক আলী হোসেন বাচ্চু গণমাধ্যমে অভিযোগ করেন, গত ২৩ আগস্ট সকালে বিচারকের খাসকামরায় ডেকে নিয়ে তাঁকে মারধর করা হয়। তাঁর দাবি, গাড়ির লগবইয়ে সময় উল্লেখ করা নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে বিচারক তাঁর চোখে ঘুষি ও কানের ওপর থাপ্পড় মারেন। পরে তিনি চিকিৎসা নেন এবং চোখে ব্যান্ডেজ করতে হয়।
আরও পড়ুন
বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ ১ ঘণ্টা আগে
তবে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের কর্মকর্তা ইশতিয়াক হোসেন জনি। তাঁর দাবি, গাড়ি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে বাচ্চুকে খাসকামরায় ডাকা হয়েছিল। একপর্যায়ে বিচারক তাঁকে ধমক দিয়ে বের করে দেন। তবে মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
ঘটনাটি নজরে আসার পর ২৭ আগস্ট হাইকোর্ট প্রশাসন তদন্তের নির্দেশ দেন। এ জন্য ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ মো. রফিকুল ইসলামকে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন
বে টার্মিনালে ১০০ কোটি ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের পিএসএ ১ ঘণ্টা আগে
আইনজীবী মো. বাকির হোসেন জানান, গত ২৪ সেপ্টেম্বর ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭-এর বিচারক সোহেল রানা গাড়িচালকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করেন। তাঁর ভাষ্য, ওই মামলায় বিচারক নিজেই বাদী ও বিচারকের ভূমিকা পালন করছিলেন। এ কারণে আলী হোসেন রিট করেন।
বাকির হোসেন আরও বলেন, হাইকোর্ট ও মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটির কার্যক্রম চলমান থাকা অবস্থায় বিভাগীয় মামলার কার্যক্রম শুরু করা হয়েছিল। রিটের শুনানি শেষে হাইকোর্ট ওই বিভাগীয় মামলার কার্যক্রমের ওপর তিন মাসের স্থগিতাদেশ দিয়েছেন।
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন।