https://newsbdc.com/sports/mw0g5dz8z5
ইয়ামাল নয়, লামিনে ইয়ামালই পুরো নাম: জানালেন বাবা
সম্প্রতি দেপোর্তিভো আলাভেসের বিপক্ষে লা লিগার ম্যাচে বার্সেলোনার ৬-১ গোলের জয়ে জোড়া গোল করেন ইয়ামাল। ম্যাচের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তাঁর বাবা জানান, ‘ইয়ামাল’ ছেলের পদবি নয়; বরং এটি তাঁর যৌথ প্রথম নামের অংশ। তাঁর প্রকৃত পদবি ‘নাসরাউই এবানা’।
আরও পড়ুন
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসরে ১৬ লাখের বেশি প্রতিযোগী ২১ মিনিট আগে
ভিডিওতে মুনির নাসরাউই বলেন, ‘আমি আপনাদের একটি বিষয় পরিষ্কার করে জানাতে চাই। লামিনের পদবি নাসরাউই এবানা। শুধু আপনাদের অবগতির জন্য বলছি, যাতে আর কোনো বিভ্রান্তি না থাকে। লামিনে ইয়ামাল আসলে তাঁর প্রথম নাম।’
ছেলের নামের যথাযথ ব্যবহার করার অনুরোধ জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘তার পুরো নাম লামিনে ইয়ামাল। এ জন্যই আমি তাকে সব সময় বলি, লামিনে ইয়ামাল, সুখে-দুঃখে তুমি সব সময় আমার ছেলে।’
এর আগে ১৬ বছর বয়সে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘মুন্দো দেপোর্তিভো’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইয়ামাল নিজেও নিজের নাম নিয়ে কথা বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘আমার পুরো নাম লামিনে ইয়ামাল। তবে ছোট করে ডাকতে চাইলে শুধু লামিনে বলতে পারেন।’
আরও পড়ুন
নিরাপত্তা শঙ্কায় সৌদি আরবে এশিয়ান কাপ পিছিয়ে দিল এএফসি ৫৬ মিনিট আগে
বাবার বক্তব্য অনুযায়ী, ইয়ামালের পূর্ণ নাম লামিনে ইয়ামাল নাসরাউই এবানা। স্প্যানিশ ও লাতিন নামকরণের রীতি অনুযায়ী, তাঁর পদবির প্রথম অংশ ‘নাসরাউই’ এসেছে বাবা মুনিরের কাছ থেকে এবং দ্বিতীয় অংশ ‘এবানা’ এসেছে মা শেইলা এবানার কাছ থেকে।
তবে এই নামের পেছনে রয়েছে কৃতজ্ঞতার এক গল্প। ইয়ামালের জন্মের আগে আর্থিক সংকটে ছিলেন তাঁর বাবা-মা। সেই কঠিন সময়ে তাঁদের দুই ঘনিষ্ঠ বন্ধু লামিনে ও ইয়ামাল আর্থিক সহায়তা করেছিলেন। এমনকি বাড়িভাড়া পরিশোধেও পাশে দাঁড়িয়েছিলেন তাঁরা।
আরও পড়ুন
দুধ-দুগ্ধজাত খাবার ছুঁয়েও দেখেন না রোনালদো, জানালেন সাবেক শেফ ২ ঘণ্টা আগে
বন্ধুদের সেই সহযোগিতার প্রতি সম্মান জানাতে ভবিষ্যতে পুত্রসন্তান হলে তাঁদের নামের সমন্বয়ে সন্তানের নাম রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন মুনির ও শেইলা। ২০০৭ সালের ১৩ জুলাই তাঁদের প্রথম সন্তান জন্মের পর সেই প্রতিশ্রুতিই বাস্তবায়ন করেন তাঁরা।
ফুটবল মাঠে নিজের দক্ষতা দিয়ে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পাওয়া ইয়ামালের নামের মধ্য দিয়ে আজও বেঁচে আছে সেই দুই বন্ধুর স্মৃতি। বাবার এই বক্তব্যে নামের বিভ্রান্তি দূর হওয়ার পাশাপাশি সামনে এসেছে তাঁদের প্রতি পরিবারের কৃতজ্ঞতার গল্প।
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন।