https://newsbdc.com/business-economy/mv97eu6p2t
অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে বাংলাদেশ-চীন একসঙ্গে কাজ করতে চায়
বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে আগ্রহী চীন। একই সঙ্গে চীনের সঙ্গে বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা বাড়িয়ে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিতে চায় বাংলাদেশও। দুই দেশের প্রতিনিধিরা বলছেন, দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি করা সম্ভব।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ঢাকায় চীনের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং ঢাকায় চীনা দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ড. লিউ ইউইন। বাংলাদেশ চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিসিসিসিআই) উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দুই দেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও গভীর করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন
নিরাপত্তাঝুঁকিতে বন্ধের পর চালু বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট ৪৫ মিনিট আগে
অনুষ্ঠানে শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, গত ৭৭ বছরে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে চীনের অর্জন উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষণীয় বিষয়। চীনের সঙ্গে বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও উচ্চতায় নিয়ে যেতে আগ্রহী বাংলাদেশ।
আরও পড়ুন
বীমা গ্রাহকের স্বার্থ রক্ষায় নতুন নির্দেশনা আইডিআরএর ৫১ মিনিট আগে
অন্যদিকে ড. লিউ ইউইন বলেন, দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের কৌশলগত দিকনির্দেশনায় বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক নতুন পর্যায়ে পৌঁছেছে। ‘নতুন যুগে অভিন্ন ভবিষ্যতের বাংলাদেশ-চীন সম্প্রদায়’ গড়ে তোলার যৌথ উদ্যোগ দুই দেশের সম্পর্কের দীর্ঘমেয়াদি অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু ও উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে পাশে থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ চীন। দুই দেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার পাশাপাশি বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা সম্প্রসারণেও কাজ করতে প্রস্তুত বেইজিং।
আরও পড়ুন
সৃজনশীল শিল্পকে মূলধারার অর্থনীতিতে যুক্ত করতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী ১২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ও চীনের অর্থনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাণিজ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন, শিল্পায়ন ও বিনিয়োগ সহযোগিতার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। বাংলাদেশের উন্নয়ন চাহিদা এবং চীনের শিল্প ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতার মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো গেলে নতুন অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে শিল্প খাতে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর, উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং রপ্তানিমুখী শিল্পের সম্প্রসারণে সহযোগিতা দুই দেশের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
আরও পড়ুন
ব্যাঙ্ককে বাংলাদেশকে আশ্বাস, নিশ্চিত নয় অর্থায়ন ২২ ঘণ্টা আগে
তবে অর্থনৈতিক সম্পর্কের সম্ভাবনাকে দীর্ঘমেয়াদি সুফলে রূপ দিতে বাণিজ্য ঘাটতি কমানো, বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগের পরিমাণ ও গুণগত মান বাড়ানো এবং স্থানীয় শিল্পে প্রযুক্তি ও দক্ষতা স্থানান্তরের বিষয়গুলোও গুরুত্ব পাবে। পাশাপাশি বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নয়ন, প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়গুলো সহযোগিতার কার্যকারিতা নির্ধারণে ভূমিকা রাখতে পারে।
দুই দেশের প্রতিনিধিদের বক্তব্যে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও গভীর করার যে আগ্রহ উঠে এসেছে, তা ভবিষ্যৎ সহযোগিতা সম্প্রসারণের একটি ইতিবাচক বার্তা। এখন এই আগ্রহকে বাস্তব ফলাফলে রূপ দিতে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন সহযোগিতার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট উদ্যোগ এবং কার্যকর বাস্তবায়ন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
আরও পড়ুন
বাজারে কমেছে সবজি ও ডিমের দাম ২৩ অক্টোবর ২০২৬
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন।