https://newsbdc.com/entertainment/mvnd1u13ym
নিজের গাড়িতে গুলির ঘটনায় যা বললেন আসিফ আকবর
জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের ব্যক্তিগত গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার ঘটনায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে শোবিজ অঙ্গনে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) ভোরে রাজধানীর মগবাজারে বিশাল সেন্টারের সামনে এ ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় আসিফ আকবর শারীরিকভাবে সুস্থ আছেন বলে জানিয়েছেন।
ঘটনার সময় আসিফ মগবাজারে নিজের অফিসে ছিলেন। ভবনের নিচে পার্ক করা ছিল তাঁর গাড়ি। একপর্যায়ে গাড়িটি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়।
আরও পড়ুন
চীনে মুক্তি পেল প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য এআই চলচ্চিত্র, বক্স অফিসে অনিশ্চয়তা ২৩ অক্টোবর ২০২৬
গণমাধ্যমকে আসিফ আকবর বলেন, বিকেলে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাঁর বাসায় গিয়েছিলেন। তাঁরা তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন এবং ঘটনার তদন্ত করছেন।
ঘটনার সময় অফিসে বসে ছিলেন বলে জানান এই সংগীতশিল্পী। অফিস থেকে বের হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তিনি। তবে ছেলের সঙ্গে কথা বলার জন্য কিছুটা দেরি করেন। এর মধ্যেই গুলির ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন
নরওয়েতে একা দেব, রুক্মিণীর সঙ্গে দূরত্বের গুঞ্জন ২৩ অক্টোবর ২০২৬
কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, সে বিষয়ে কোনো ধারণা নেই বলে জানান আসিফ। তিনি বলেন, কাউকে সন্দেহ করতে পারছেন না। তবে তাঁর ধারণা, যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তারা তাঁর অফিসে যাওয়া ও বের হওয়ার সময় সম্পর্কে জানত।
নিজের দৈনন্দিন রুটিনের কথা জানিয়ে আসিফ বলেন, সাধারণত রাত ৮টা বা সাড়ে ৮টার দিকে তিনি অফিসে যান এবং ফজরের নামাজের আগে কিংবা পরে বাসায় ফেরেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় তাঁকে লক্ষ্য করা হয়ে থাকতে পারে, তবে তিনি তখনো অফিসে থাকায় গুলির মুখে পড়েননি।
আরও পড়ুন
ঐশ্বরিয়ার হাত ছোঁয়ায় সালমানকে বকেছিলেন বানসালি, জানালেন স্মিতা ২৩ অক্টোবর ২০২৬
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, হাতিরঝিল থানাধীন মগবাজার থেকে ওয়্যারলেসগামী সড়কের পাশে বিশাল সেন্টার মার্কেটের সামনে ফুটপাতের পার্কিংয়ে আসিফের গাড়িটি রাখা ছিল। ভোরে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় এসে এক ব্যক্তি গাড়িটি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন বলে প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ গাড়ির ভেতর থেকে গুলির কার্তুজ উদ্ধার করেছে।
এ ঘটনায় কে বা কারা জড়িত, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। অন্যদিকে, গুলির ঘটনায় শোবিজ অঙ্গনের শিল্পী ও কলাকুশলীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন।