ছবি ভিডিও মতামত
সর্বশেষ
আইন-আদালত

সাগর-রুনি হত্যা তদন্তে আলোচনায় জিয়াউল আহসান ও রোকেয়া প্রাচীর নাম

প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৬: ২৬
সাগর-রুনি হত্যা তদন্তে আলোচনায় জিয়াউল আহসান ও রোকেয়া প্রাচীর নাম
সংগৃহীত

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্তে সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রোকেয়া প্রাচীর নাম এসেছে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) মামলার তদন্তে গঠিত উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্সের অগ্রগতি প্রতিবেদন হাইকোর্টে উপস্থাপনের সময় এ তথ্য উঠে আসে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, তদন্তসংশ্লিষ্ট তথ্য যাচাইয়ের অংশ হিসেবে তাঁদের নাম আলোচনায় এসেছে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন বা আদালতের কোনো সিদ্ধান্তের তথ্য পাওয়া যায়নি। কারও নাম তদন্তে আসা মানেই তিনি অপরাধে জড়িত—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।

আরও পড়ুন

জুলাই অভ্যুত্থানে তিন মামলায় শেখ হাসিনাসহ ১১৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র ২৫ অক্টোবর ২০২৬ জুলাই অভ্যুত্থানে তিন মামলায় শেখ হাসিনাসহ ১১৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

দীর্ঘদিনেও হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটন না হওয়ায় ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট মামলার তদন্ত থেকে র‌্যাবকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠন করে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

আদালতের নির্দেশের পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় টাস্কফোর্স গঠন করে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তী সময়ে তদন্তের অগ্রগতি বিবেচনায় আদালতের কাছে আরও সময় চাওয়া হয়।

আরও পড়ুন

আনিসুল হকের বিরুদ্ধে ১৭২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মামলায় চার্জশিট গ্রহণ ২৫ অক্টোবর ২০২৬ আনিসুল হকের বিরুদ্ধে ১৭২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মামলায় চার্জশিট গ্রহণ

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনিকে ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে তাঁদের ভাড়া বাসায় হত্যা করা হয়। পরদিন সকালে তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় রুনির ভাই নওশের আলী রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা করেন।

শুরুতে থানা-পুলিশ মামলাটির তদন্ত করে। পরে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি)। তদন্তে অগ্রগতি না হওয়ায় হাইকোর্টের নির্দেশে ২০১২ সালের এপ্রিলে মামলার তদন্তভার র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) কাছে হস্তান্তর করা হয়। দীর্ঘ সময়েও র‌্যাব তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি।

আরও পড়ুন

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মানবতাবিরোধী অপরাধ: ৭ মামলায় ২৩ মৃত্যুদণ্ড ২৫ অক্টোবর ২০২৬ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মানবতাবিরোধী অপরাধ: ৭ মামলায় ২৩ মৃত্যুদণ্ড

২০২৪ সালে হাইকোর্টের নির্দেশে তদন্তের দায়িত্ব থেকে র‌্যাবকে সরিয়ে উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। এরপরও তদন্ত শেষ না হওয়ায় মামলাটির অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন ও অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

দীর্ঘ ১৪ বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও সাংবাদিক দম্পতি হত্যা মামলার চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন জমা না হওয়ায় নতুন তথ্য যাচাই ও প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটনের অপেক্ষায় রয়েছেন তাঁদের পরিবারসহ সংশ্লিষ্টরা।

আইন-আদালত থেকে আরও পড়ুন

মন্তব্য (০)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন।

Bangladesh নিয়ে আরও পড়ুন