https://newsbdc.com/national/mvp12g54i5
৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগে কাটল আইনি জটিলতা
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতা নিরসনের পথ খুলেছে। জাতীয়করণ করা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের চাকরির জ্যেষ্ঠতা, পদোন্নতি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল মঞ্জুর করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের দেওয়া পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ রায়ের ফলে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে আইনি বাধা কাটানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে।
গত রোববার (২৫ অক্টোবর) আপিল বিভাগের ২৯ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়। এর আগে গত ২ জুলাই প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের চার সদস্যের বেঞ্চ এ রায় দেন।
আরও পড়ুন
প্রতিরক্ষা প্রদর্শনীতে অংশ নিতে তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ শেখ হামদানের ১২ মিনিট আগে
রায় ঘোষণার পর অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল জানিয়েছিলেন, রাষ্ট্রপক্ষের আপিল মঞ্জুর হওয়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগের পথে দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতা দূর হয়েছে। তাঁর মতে, এ রায় দেশের প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
জাতীয়করণ করা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের চাকরির জ্যেষ্ঠতা, পদোন্নতি এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আইনি বিরোধ চলছিল। আপিল বিভাগের রায়কে এ বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর ফলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
আরও পড়ুন
বাংলাদেশে বিনিয়োগে অত্যন্ত আগ্রহী জাপানি কোম্পানিগুলো: প্রধানমন্ত্রী ১৬ মিনিট আগে
২০১৭ সালে জাতীয়করণ করা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক হাইকোর্টে রিট করেন। তাঁদের দাবি ছিল, জাতীয়করণের আগে চাকরির মেয়াদের ৫০ শতাংশ গণনা করে জ্যেষ্ঠতার তালিকা তৈরি করতে হবে।
আরও পড়ুন
আইসিটি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান ১৮ মিনিট আগে
একই সঙ্গে প্রধান শিক্ষক হিসেবে বেতন স্কেল, আর্থিক সুবিধা এবং অন্যান্য প্রশাসনিক সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার দাবিও জানান তাঁরা। এসব দাবিকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট আইনি বিরোধের নিষ্পত্তিতে আপিল বিভাগের রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।
তবে নিয়োগের আইনি জটিলতা কাটার অর্থ এই নয় যে, একই সঙ্গে নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে গেছে। নিয়োগের পরবর্তী ধাপ, সময়সূচি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা প্রয়োজন।
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন।