https://newsbdc.com/sara-desh/mvp0vcojul
বালাইনাশক প্রয়োগের পর পুড়ল করলাখেত, ক্ষতির মুখে কৃষক
পঞ্চগড়ের মির্জাপুর ইউনিয়নের তেলিপাড়া গ্রামে জৈব বালাইনাশক প্রয়োগের পর করলাগাছ নষ্ট হয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে কৃষক সাইদুর রহমানের ১ একর ১৫ শতক জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে একই ইউনিয়নের অন্য একটি জমিতে একই ধরনের বালাইনাশক ব্যবহারে ভালো ফলন হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কৃষক। একই পণ্য ব্যবহারের পর দুই জমিতে ভিন্ন ফল পাওয়ায় এর কার্যকারিতা ও প্রয়োগপদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
আরও পড়ুন
কেরানীগঞ্জে প্লাস্টিক কারখানায় আগুন, প্রাণ গেল একজনের ৫১ মিনিট আগে
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক সাইদুর রহমান, পিতা ইসলাম উদ্দিন। তাঁর দাবি, করলাখেতে এম পেড নামের একটি জৈব বালাইনাশক প্রয়োগের পরদিনই গাছের পচন দেখতে পান। এতে তাঁর ১ একর ১৫ শতক জমির করলাগাছ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
অন্যদিকে, একই ইউনিয়নের অন্য একটি জমিতে চার বিঘা করলাখেতে একই বালাইনাশক ব্যবহার করে ভালো ফলন পাওয়ার কথা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কৃষক। ফলে এক জমিতে গাছ নষ্ট হওয়া এবং অন্য জমিতে ভালো ফলনের পেছনে কী কারণ রয়েছে, তা নিয়ে স্থানীয়ভাবে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
আরও পড়ুন
‘সাঈদী আল্লাহর ওলি ছিলেন, ভাই কেন সাক্ষ্য দিয়েছেন তিনিই জানেন’ ৫৬ মিনিট আগে
খবর পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষেত পরিদর্শন করেন পঞ্চগড়ের কৃষি কর্মকর্তা মতিয়ার রহমান। তাঁর প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে, কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ ছাড়া অতিরিক্ত মাত্রায় বালাইনাশক প্রয়োগের কারণে করলাগাছে পচন ধরে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, কৃষক সাইদুর রহমানও অতিরিক্ত মাত্রায় প্রয়োগের বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
আরও পড়ুন
কেন্দুয়ায় মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ১ ঘণ্টা আগে
কৃষি সংশ্লিষ্টদের মতে, জৈব কিংবা রাসায়নিক—যেকোনো ধরনের বালাইনাশক ব্যবহারের ক্ষেত্রে পণ্যের নির্দেশনা, নির্ধারিত মাত্রা ও প্রয়োগপদ্ধতি অনুসরণ করা জরুরি। ভুল মাত্রায় বা অনুপযুক্ত পদ্ধতিতে প্রয়োগ করলে ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
তবে এই ঘটনায় করলাগাছ নষ্ট হওয়ার প্রকৃত কারণ এখনো পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি। ব্যবহৃত বালাইনাশকের লেবেল ও উপাদান, প্রয়োগের মাত্রা, আবহাওয়া, জমির অবস্থা এবং গাছের নমুনা পরীক্ষা করে বিষয়টি যাচাই করা প্রয়োজন। একই পণ্য অন্য জমিতে ভালো ফল দিয়েছে বলে সেটির গুণগত মান বা প্রয়োগপদ্ধতি নিয়ে ওঠা প্রশ্নেরও চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয় না।
আরও পড়ুন
শের-ই-বাংলার জন্মভবন জরাজীর্ণ, হারিয়ে যাচ্ছে স্মৃতিচিহ্ন ১ ঘণ্টা আগে
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের আর্থিক ক্ষতির পরিমাণও নির্দিষ্ট করে জানা যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরীক্ষা ও তদন্তের মাধ্যমে ফসল নষ্টের কারণ নির্ধারণ করা গেলে কৃষক ক্ষতিপূরণ পাবেন কি না, পণ্যের মানে কোনো সমস্যা ছিল কি না এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ক্ষতি এড়াতে কী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন—এসব বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যেতে পারে।
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন।