https://newsbdc.com/sara-desh/mvp13bo95w
‘সাঈদী আল্লাহর ওলি ছিলেন, ভাই কেন সাক্ষ্য দিয়েছেন তিনিই জানেন’
প্রয়াত জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে ‘আল্লাহর ওলি’ বলে সম্বোধন করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর বোন হেনা পশারী। তবে সাঈদীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাঁর ভাই কেন সাক্ষ্য দিয়েছিলেন, সে বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন তিনি।
রোববার (২৫ অক্টোবর) পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের চিতলিয়া গ্রামে মানিক পশারীর বাড়িতে হেনা পশারীর সঙ্গে কথা বলেন সাংবাদিকরা। এ সময় ভাইয়ের সাক্ষ্য দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, ঘটনার সময় তিনি খুলনায় শ্বশুরবাড়িতে ছিলেন। পরে এ বিষয়ে ভাইয়ের সঙ্গে তাঁদের কোনো যোগাযোগ হয়নি। এমনকি তাঁরা তাঁর কাছে এ বিষয়ে কিছু জানতেও চাননি।
আরও পড়ুন
কেরানীগঞ্জে প্লাস্টিক কারখানায় আগুন, প্রাণ গেল একজনের ৫২ মিনিট আগে
হেনা পশারী বলেন, ‘তখন আমি শ্বশুরবাড়ি খুলনা ছিলাম। এরপর এ বিষয়ে ভাইয়ের সঙ্গে আমরা কোনো যোগাযোগ করি নাই। তার কাছে এ বিষয়ে কিছু জানতেও চাইনি।’
সাঈদীর বিরুদ্ধে মামলায় মানিক পশারীর সাক্ষ্য দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘তিনি (সাঈদী) আল্লাহর ওলি ছিলেন। বড়ভাই কিসের জন্য কী করেছে, এটা সে জানে আর আল্লাহ জানে। এ ব্যাপারে আমরা কিছু জানি না। এ ব্যাপারে আমাদের জিজ্ঞাসা না করাই ভালো।’
আরও পড়ুন
বালাইনাশক প্রয়োগের পর পুড়ল করলাখেত, ক্ষতির মুখে কৃষক ১ ঘণ্টা আগে
৫ আগস্টের পর তাঁদের বাড়িঘরে আগুন দেওয়ার ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে হেনা পশারী বলেন, তাঁরা তখন আশপাশেই ছিলেন।
এদিকে মানিক পশারীর ছোট ভাই চান মিয়া পশারী দাবি করেছেন, টাকার বিনিময়ে তাঁর বড় ভাই সাঈদীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছিলেন। এ বিষয়ে তাঁর একটি ভিডিও সাক্ষাৎকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
আরও পড়ুন
কেন্দুয়ায় মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ১ ঘণ্টা আগে
ভিডিওটি ফেসবুকে প্রকাশ করেন পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী। তিনি মানিক পশারীকে ‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা’ বলেও দাবি করেছেন। তাঁর অভিযোগ, সাঈদীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার কারণে মানিক পশারীকে মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
তবে মানিক পশারীর বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে এ প্রতিবেদনে স্বাধীনভাবে যাচাই করা কোনো তথ্য উল্লেখ নেই। ফলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য ও অভিযোগকে পৃথকভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন।