https://newsbdc.com/entertainment/mv98aagbm5
এআই দিয়ে মিথ্যা কনটেন্ট তৈরি ও শেয়ারকারীরাও অপরাধী: মেহজাবীন
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে কারও নামে মিথ্যা ও বানোয়াট কনটেন্ট তৈরি এবং তাঁকে হেয় করার উদ্দেশ্যে তা ছড়িয়ে দেওয়ার সমালোচনা করেছেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। একই সঙ্গে এ ধরনের কনটেন্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা ব্যক্তিদের ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন মেহজাবীন।
আরও পড়ুন
চীনে মুক্তি পেল প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য এআই চলচ্চিত্র, বক্স অফিসে অনিশ্চয়তা ২২ ঘণ্টা আগে
পোস্টে তিনি লেখেন, এআই ব্যবহার করে কারও নামে মিথ্যা ও বানোয়াট কনটেন্ট তৈরি করা এবং কাউকে হেয় করার উদ্দেশ্যে তা ছড়িয়ে দেওয়া কোনো বিনোদন নয়; এটি অপরাধ। কিন্তু একই কনটেন্ট যখন শত শত কিংবা হাজার হাজার মানুষ শেয়ার করেন, তখন বিষয়টি শুধু একজনের কর্মকাণ্ডে সীমাবদ্ধ থাকে না। এটি আরও বড় একটি সামাজিক সমস্যার চিত্র তুলে ধরে। তখন প্রশ্ন জাগে, সমাজ হিসেবে আমরা আসলে কোন জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছি।
মেহজাবীন আরও লেখেন, কাউকে সম্মান করার জন্য তাঁকে নিজের পরিবারের সদস্য হতে হবে কেন? কারও মা কিংবা বোনের সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটলে কেমন লাগত—এমন প্রশ্ন তুলে সহমর্মিতা বোঝানোর প্রচলিত পদ্ধতিরও সমালোচনা করেন তিনি।
আরও পড়ুন
নরওয়েতে একা দেব, রুক্মিণীর সঙ্গে দূরত্বের গুঞ্জন ২৩ ঘণ্টা আগে
ভিউ, লাইক ও শেয়ার বাড়ানো কিংবা ট্রেন্ডিংয়ে থাকার মাধ্যমে অর্থ উপার্জনের প্রবণতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন এই অভিনেত্রী। তাঁর ভাষ্য, অনেকের জন্য কনটেন্ট তৈরি জীবিকা নির্বাহের উপায়—এই বাস্তবতা তিনি অস্বীকার করেন না। তবে প্রশ্ন হলো, কবে থেকে অন্য একজন মানুষের অপমান ও অসম্মান উপার্জনের মাধ্যম হয়ে উঠল?
বিষয়টি শুধু নারী বা পুরুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় উল্লেখ করে মেহজাবীন বলেন, ভিউ, এনগেজমেন্ট ও ট্রেন্ডিংয়ের প্রতিযোগিতা এখন লিঙ্গের সীমারেখা ছাড়িয়ে গেছে। ক্ষতিকর কনটেন্ট ছড়িয়ে দেওয়ার সঙ্গে যে কেউ যুক্ত হতে পারেন, আবার যে কেউ এর শিকারও হতে পারেন।
আরও পড়ুন
ঐশ্বরিয়ার হাত ছোঁয়ায় সালমানকে বকেছিলেন বানসালি, জানালেন স্মিতা ২৩ অক্টোবর ২০২৬
তাঁকে সবচেয়ে বেশি ভাবায় শুধু সেই ব্যক্তি নন, যিনি এমন কনটেন্ট তৈরি করছেন; বরং সেই অসংখ্য মানুষও, যাঁরা স্বেচ্ছায় তা শেয়ার করছেন, আলোচনা করছেন এবং আরও মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন—পোস্টে এমনটাই উল্লেখ করেন মেহজাবীন।
তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের প্রতি আহ্বান জানান, অন্যের অপমানজনক বা মিথ্যা কনটেন্ট ছড়িয়ে দিয়ে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সহযোগী হচ্ছেন কি না, তা ভেবে দেখতে।
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন।