https://newsbdc.com/international/mvhrlo5sf0
পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক রাখা জরুরি, ভারতের স্বার্থ ক্ষুণ্ন হবে না: রুবিও
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাকিস্তান ও চীনের ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক নিয়ে ভারতের উদ্বেগ প্রশমনের চেষ্টা করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তিনি বলেছেন, বিশ্বের অন্য কোনো দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক ভারতের সঙ্গে ওয়াশিংটনের সম্পর্কের ক্ষতির বিনিময়ে হবে না। একই সঙ্গে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখাকেও জরুরি বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।
আরও পড়ুন
বিক্ষোভে উত্তাল মণিপুর, আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার গ্যাস ১৬ ঘণ্টা আগে
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রুবিও বলেন, ১৯৭০-এর দশকের মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন ও তৎকালীন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হেনরি কিসিঞ্জারের সময়ের সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনা করা ঠিক হবে না। কারণ, সেই সময়ের বৈশ্বিক রাজনৈতিক বাস্তবতা ও স্নায়ুযুদ্ধের সমীকরণ এখন আর আগের মতো নেই।
নিক্সনের শাসনামলে দক্ষিণ এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের নীতি পাকিস্তানের সামরিক সরকারের প্রতি উল্লেখযোগ্যভাবে ঝুঁকে পড়েছিল। সেই ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতার পুনরাবৃত্তি নিয়ে ভারতের উদ্বেগের বিষয়ে রুবিও বলেন, বর্তমান বিশ্বের সঙ্গে ওই সময়ের পরিস্থিতির কোনো মিল নেই।
আরও পড়ুন
ইরানে নতুন করে হামলা না চালানোর আহ্বান আট দেশের ১৭ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে রুবিও বলেন, অন্য কোনো দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বিনিময়ে গড়ে তোলা হবে না। ভারতের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে ওয়াশিংটনের এমন কোনো দৃষ্টিভঙ্গি নেই, যাতে তৃতীয় কোনো দেশের সঙ্গে সম্পর্কের কারণে ভারতের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
তিনি আরও বলেন, ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদনের অঙ্গীকার, যৌথ কূটনৈতিক উদ্যোগ এবং দুই দেশের সহযোগিতামূলক কার্যক্রমই ওয়াশিংটনের অবস্থানের প্রমাণ।
আরও পড়ুন
জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঘরে তিন দিনের খাবার-পানি রাখার পরামর্শ যুক্তরাজ্যের ১৭ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশটির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক রয়েছে এবং তা বজায় রাখা জরুরি। ইসলামাবাদের সঙ্গে যোগাযোগ ও সম্পর্কের মাধ্যমে ওয়াশিংটন এমন কিছু পদক্ষেপ নিরুৎসাহিত করতে পারে, যেগুলো ভারতকে উদ্বিগ্ন করে বা সম্ভাব্য সংঘাতের দিকে নিয়ে যেতে পারে।
রুবিওর বক্তব্যে দক্ষিণ এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখার প্রচেষ্টা স্পষ্ট হয়েছে। একদিকে ভারতের সঙ্গে কৌশলগত ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করা, অন্যদিকে পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখে আঞ্চলিক সংঘাতের ঝুঁকি কমানো—দুই লক্ষ্যেই কাজ করতে চায় ওয়াশিংটন।
আরও পড়ুন
হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা বেড়েছে, সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অক্টোবর ১৯ ঘণ্টা আগে
এদিকে দুই দিনের ভারত সফরে থাকা রুবিও ইউক্রেনে রাশিয়ার চলমান যুদ্ধ বন্ধের প্রচেষ্টা নিয়েও কথা বলেছেন। তিনি বলেন, যুদ্ধটির সমাধান বেশ জটিল। সহজে সমাধান করা সম্ভব হলে এত দিনে তা শেষ হয়ে যেত।
আন্তর্জাতিক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন।