https://newsbdc.com/national/mvp503hu8q
বাংলাদেশ-পাকিস্তান বাণিজ্য সম্প্রসারণে নতুন সম্ভাবনা
খাদ্যশস্যের দীর্ঘমেয়াদি সংরক্ষণব্যবস্থার উন্নয়ন, প্রযুক্তিগত জ্ঞান বিনিময় এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম।
সোমবার সকালে সচিবালয়ে খাদ্যমন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ গুরুত্বারোপ করেন।
আরও পড়ুন
প্রতিরক্ষা প্রদর্শনীতে অংশ নিতে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানাল ইউএই ১০ মিনিট আগে
সাক্ষাতে খাদ্যশস্য আমদানি, দীর্ঘমেয়াদি খাদ্য সংরক্ষণ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শিক্ষা ও যোগাযোগসহ দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
খাদ্যমন্ত্রী জানান, গত অর্থবছরে পাকিস্তান থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানি করা হয়েছিল। নির্ধারিত সময়ে চাল বাংলাদেশে পৌঁছানো এবং এর মান সন্তোষজনক হওয়ায় তিনি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। এ সময় পাকিস্তানের বাসমতী চালেরও প্রশংসা করেন তিনি।
আরও পড়ুন
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাইকা প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ ১৮ মিনিট আগে
আফরোজা খানম বলেন, দেশে বর্তমানে পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য মজুত থাকলেও দীর্ঘমেয়াদে এর গুণগত মান বজায় রেখে সংরক্ষণ করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ ক্ষেত্রে পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান বিনিময় বাংলাদেশের খাদ্য সংরক্ষণব্যবস্থার উন্নয়নে সহায়ক হতে পারে। এ বিষয়ে তিনি পাকিস্তানের সহযোগিতা কামনা করেন।
পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার বলেন, দুই দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগ চালুর ফলে মানুষের যাতায়াত ও পারস্পরিক যোগাযোগ সহজ হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেন।
হাইকমিশনার জানান, পাকিস্তানে বাংলাদেশের সিরামিক পণ্য, পান ও আনারসের চাহিদা রয়েছে। এসব পণ্যের বাজার সম্প্রসারণেরও সুযোগ রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আরও পড়ুন
চলতি বছরই ১ লাখ আনসার সদস্যকে বিদেশে পাঠানোর পরিকল্পনা ২৩ মিনিট আগে
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য পাকিস্তানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা ও পূর্ণ অর্থায়নে বৃত্তি পাওয়ার সুযোগ রয়েছে বলেও জানান ইমরান হায়দার। সাইবার নিরাপত্তা ও তথ্যপ্রযুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ কাজে লাগাতে তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, কৃষিপণ্যের বাজার সম্প্রসারণে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ জোরদার করা যেতে পারে। বাণিজ্য সহজীকরণ ও কার্যকর সহযোগিতার মাধ্যমে বিদ্যমান সম্ভাবনাকে বাস্তব বাণিজ্যে রূপ দেওয়া সম্ভব।
আরও পড়ুন
জরিমানা ছাড়া গাড়ির কাগজ ও ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের সময় বাড়ল ৫৮ মিনিট আগে
তিনি আরও বলেন, শিক্ষা, প্রযুক্তি, খাদ্যনিরাপত্তা, বাণিজ্য এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা সম্ভব।
সাক্ষাতে পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনার মোহাম্মদ ওয়াসিফ, ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট অ্যাটাশে ওয়াকাস ইয়াসিন, খাদ্যসচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জসিম উদ্দিন খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন।