https://newsbdc.com/lifestyle-wellness/mvp5q191er
শিশুর শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি বুঝবেন যেসব লক্ষণে
শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি, পেশি গঠন, কোষের পুনর্গঠন ও রোগ প্রতিরোধব্যবস্থার স্বাভাবিক কার্যক্রমে প্রোটিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই বাড়ন্ত বয়সে শিশুর খাবারে পর্যাপ্ত প্রোটিন থাকা জরুরি। তবে শিশুর ক্লান্তি বা বারবার ক্ষুধা লাগার মতো লক্ষণ দেখেই প্রোটিনের ঘাটতি নিশ্চিত হওয়া যায় না। এসব লক্ষণের পেছনে অন্য কারণও থাকতে পারে।
যেসব লক্ষণে সতর্ক হবেন
১. বারবার ক্ষুধা লাগা
শিশু ঘন ঘন খাবার চাইলে তার দৈনন্দিন খাদ্যতালিকা পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। খাবারে পর্যাপ্ত ক্যালরি, প্রোটিন ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান না থাকলে ক্ষুধা দ্রুত ফিরে আসতে পারে। খাদ্যতালিকায় ডাল, ডিম, মাছ, দুধ, দই, ছোলা ও অন্যান্য প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার রাখা যেতে পারে।
আরও পড়ুন
শিশুর শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি, যে লক্ষণগুলো অবহেলা করবেন না ৩ ঘণ্টা আগে
২. অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে পড়া
খেলাধুলা বা দৈনন্দিন কাজের সময় শিশু দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়লে বিষয়টি খেয়াল করা দরকার। অপুষ্টি ছাড়াও রক্তস্বল্পতা, ঘুমের ঘাটতি কিংবা অন্য শারীরিক সমস্যায় এমন হতে পারে। লক্ষণটি নিয়মিত দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
আরও পড়ুন
পরিবারে ক্যানসারের ইতিহাস থাকলে যে ৩ পরীক্ষা জরুরি ২৫ অক্টোবর ২০২৬
৩. ওজন ও উচ্চতা প্রত্যাশিত হারে না বাড়া
শিশুর বয়স অনুযায়ী ওজন ও উচ্চতা ঠিকমতো না বাড়লে তা অপুষ্টির একটি সম্ভাব্য লক্ষণ। পর্যাপ্ত প্রোটিনের পাশাপাশি মোট ক্যালরি ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের ঘাটতিও বৃদ্ধিতে প্রভাব ফেলতে পারে। তাই নিয়মিত শিশুর বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ করা জরুরি।
৪. ঘন ঘন অসুস্থ হওয়া
আরও পড়ুন
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাস দুর্ঘটনা, নিহত ৩ ও আহত ১৬ ২৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রোটিন শরীরের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থার স্বাভাবিক কার্যক্রমে ভূমিকা রাখে। শিশু বারবার অসুস্থ হলে বা সুস্থ হতে বেশি সময় নিলে এর কারণ নির্ণয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
৫. পেশি দুর্বল হয়ে যাওয়া
আরও পড়ুন
শিশুর ভয়কে অবহেলা নয়, কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করুন ২৩ অক্টোবর ২০২৬
শিশুর পেশি দুর্বল হওয়া, পেশির পরিমাণ কমে যাওয়া বা ওজন কমতে থাকার মতো লক্ষণ অপুষ্টির সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে নিজে থেকে খাবার বা পুষ্টি-পরিপূরক নির্ধারণ না করে চিকিৎসক কিংবা নিবন্ধিত পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
শিশুর খাবারে কী রাখবেন?
প্রোটিনের চাহিদা পূরণে শিশুর বয়স ও খাবার গ্রহণের উপযোগিতা অনুযায়ী ডাল, ডিম, মাছ, মাংস, দুধ, দই, ছোলা ও অন্যান্য ডালজাতীয় খাবার রাখা যেতে পারে। পাশাপাশি সুষম খাদ্য, পর্যাপ্ত ঘুম ও নিয়মিত স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণও গুরুত্বপূর্ণ।
শিশুর ওজন কমতে থাকলে, বৃদ্ধি ব্যাহত হলে, শরীর ফুলে গেলে বা দীর্ঘদিন দুর্বলতা থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসক পুষ্টিগত অবস্থা মূল্যায়ন করে পরবর্তী ব্যবস্থা নির্ধারণ করবেন।
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন।