https://newsbdc.com/sara-desh/mvrx61032v
শিশু মুহিন হত্যা মামলায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন
গোপালগঞ্জে ১২ বছর বয়সী তালহা ওরফে মুহিন হত্যা মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মামলার অপর এক আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে গোপালগঞ্জ শিশু ও নারী নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ও বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শাওন মোল্লা পলাতক রয়েছেন।
আরও পড়ুন
রূপগঞ্জে পোশাক কারখানায় ডায়ার কম্প্রেসার বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৪ ৯ ঘণ্টা আগে
যেভাবে উদ্ধার হয় শিশুর মরদেহ
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামের বাসিন্দা মানজুরুল ইসলামের ছেলে তালহা ওরফে মুহিন মাছ ধরা দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।
পরে ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে মানজুরুল ইসলামের ভাড়াটিয়া আমিন উদ্দিনের ঘরে থাকা একটি ট্রাংক থেকে মুহিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন
সুনামগঞ্জে ভয়াবহ আগুনে ১৩ বসতঘর পুড়ে ছাই ৯ ঘণ্টা আগে
এ ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা চারজনকে আসামি করে মামলা করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে বুধবার আদালত মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে লেয়াকত আলী মোল্লাকে খালাস দেওয়া হয়।
রায়ে সন্তুষ্ট পরিবার, আপিল করবে আসামিপক্ষ
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে নিহতের পরিবার ও রাষ্ট্রপক্ষ। মুহিনের বাবা ও মামলার বাদী মানজুরুল ইসলাম বলেন, তিনি রায়ে সন্তুষ্ট। রায় দ্রুত কার্যকরের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
আরও পড়ুন
গাজীপুরে তুরাগ নদে ডুবে পোশাকশ্রমিকের মৃ/ত্যু, ৩ ঘণ্টা পর মর/দেহ উদ্ধার ৯ ঘণ্টা আগে
অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এম জুলকদর রহমান বলেন, হত্যাকাণ্ডের কোনো প্রত্যক্ষ সাক্ষী নেই বলে তাঁদের দাবি। এ কারণে রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে বলে জানান তিনি।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট তৌফিকুল ইসলাম বলেন, সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত এ রায় দিয়েছেন। তাঁর মতে, এ রায়ের মধ্য দিয়ে সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন।