https://newsbdc.com/international/mvc5hhvje9
মুসলিমদের মধ্যে ‘মোহাম্মদ’ নামের জনপ্রিয়তা নিয়ে ট্রাম্পের বিদ্রূপ
মুসলিমদের মধ্যে ‘মোহাম্মদ’ নামের জনপ্রিয়তা নিয়ে উপহাস করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার জর্জিয়ার ডালটনে এক নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন। একই সমাবেশে ইরানের নেতৃত্ব নিয়েও বিদ্রূপ করেন ট্রাম্প।
সমাবেশে ট্রাম্প বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের কারও নাম নিয়ে সন্দেহ হলে তাঁকে ‘মোহাম্মদ’ বলে ডাকলেই হতে পারে। তাঁর দাবি, এতে নামটি সঠিক হওয়ার সম্ভাবনা ৬৫ শতাংশ। এরপর ‘হ্যালো, মোহাম্মদ’ বলে সম্বোধন করার উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, বহু বছর ধরে এভাবে ডাকছেন এবং কখনো ভুল হয়নি।
আরও পড়ুন
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিসহ ১০৯ প্রবাসী আটক ৪ মিনিট আগে
ইসলামের নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর নাম অনুসারে বহু মুসলিম পরিবারে ছেলেদের ‘মোহাম্মদ’ নাম রাখা হয়। মুসলিমদের মধ্যে এটি বহুল প্রচলিত পুরুষদের নামগুলোর একটি।
জর্জিয়ার ডালটন মিউনিসিপ্যাল বিমানবন্দরের একটি হ্যাঙ্গারে আয়োজিত ওই সমাবেশে ইরান প্রসঙ্গে কথা বলার সময় এ মন্তব্য করেন ট্রাম্প। ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারের অংশ হিসেবে তিনি সেখানে বক্তব্য দেন।
আরও পড়ুন
বিক্ষোভে উত্তাল মণিপুর, আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার গ্যাস ২২ ঘণ্টা আগে
ইরানের নেতৃত্ব নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, দেশটি এমন একটি জায়গা, যেখানে কেউ প্রেসিডেন্ট হতে চান না। এরপর কয়েকজন ‘মোহাম্মদ’ নামের ব্যক্তিকে প্রেসিডেন্ট হতে আগ্রহী কি না, তা জিজ্ঞাসা করার ভান করে উপস্থিত জনতার সামনে রসিকতা করেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাঁর এ বক্তব্যে উপস্থিত জনতার কাছ থেকে খুব একটা সাড়া মেলেনি।
২০২৪ সাল থেকে ইরানের প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে রয়েছেন মাসুদ পেজেশকিয়ান।
আরও পড়ুন
ইরানে নতুন করে হামলা না চালানোর আহ্বান আট দেশের ২৩ ঘণ্টা আগে
এর আগে ট্রাম্পের এ ধরনের বক্তব্যের সমালোচনা করেছে অধিকারকর্মী ও মুসলিম অধিকার নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠন। তাদের মতে, এ ধরনের মন্তব্য মুসলিম, অভিবাসী ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের হেয় করতে পারে।
মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রচারে ট্রাম্প সোমালি ও মুসলিম আমেরিকানদের নিয়েও সমালোচনামূলক বক্তব্য দিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ডেমোক্র্যাটিক দলের মার্কিন সিনেট প্রার্থী আব্দুল এল-সায়েদ এবং মিনেসোটার ডেমোক্র্যাটিক প্রতিনিধি ইলহান ওমর, যিনি সোমালি শরণার্থী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন।
আরও পড়ুন
জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঘরে তিন দিনের খাবার-পানি রাখার পরামর্শ যুক্তরাজ্যের ২৪ অক্টোবর ২০২৬
এদিকে, ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে পারবে না বলে আবারও অঙ্গীকার করেছেন ট্রাম্প। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর সাত মাস আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করেছিল। ওই অভিযানের অন্যতম লক্ষ্য ছিল দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি অকার্যকর করে দেওয়া।
চলতি বছরের শুরুর দিকে প্রকাশিত এক বার্ষিক প্রতিবেদনে কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনস (সিএআইআর) বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রে ইসলামবিদ্বেষ বৃদ্ধির পেছনে ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসননীতি এবং ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভের বিরুদ্ধে তাঁর কঠোর অবস্থানের আংশিক ভূমিকা রয়েছে বলে সংগঠনটি মনে করে।
আন্তর্জাতিক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন।