https://newsbdc.com/international/mvp06f798j
তিব্বতের ভূমিকম্পে নিহত ১৬, নতুন হতাহতের খবর নেই
চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের তিব্বতে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে ১৬ জন নিহত এবং ৭৬ জন আহত হয়েছেন। গত শুক্রবারের এ ভূমিকম্পের পর নতুন করে কোনো ভূতাত্ত্বিক বিপর্যয় কিংবা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছে চীন সরকার।
সোমবার দেশটির প্রাকৃতিক সম্পদ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় হিমবাহের হ্রদ ও হিমবাহের ওপর প্রভাব খুবই সামান্য। ভূমিকম্পের পর থেকে এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৫৪টি পরাঘাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে দুটির মাত্রা ছিল ৫ বা তার বেশি।
আরও পড়ুন
ইরানে সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের প্রতিনিধিদল, আলোচনায় আঞ্চলিক নিরাপত্তা ৪০ মিনিট আগে
ভূমিকম্পের পর নতুন করে ভূতাত্ত্বিক বিপর্যয়ের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে কি না, তা যাচাই করতে উৎপত্তিস্থলের ৫০ কিলোমিটার বা ৩১ মাইল ব্যাসার্ধের মধ্যে পরীক্ষা চালিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তিব্বতের উত্তরে জনবিরল পাহাড়ি শহর নাগকুতে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। ২০২৪ সালের জানুয়ারির পর এটিই ছিল চীনে আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প।
আরও পড়ুন
প্রবাসীদের বেতন দিতে দেরি নয়, কুয়েতে নিয়োগকর্তাদের কঠোর বার্তা ৪৮ মিনিট আগে
প্রাকৃতিক সম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভূমিকম্পের পর ভূতাত্ত্বিক বিপর্যয়ের ঝুঁকি রয়েছে—এমন ১৫৭টি স্থান পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ১২২টি স্থান আগে থেকেই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত ছিল। নতুন করে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে আরও ৩৫টি স্থান।
এ ছাড়া ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলের ৫০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে থাকা ৮০টি হিমবাহের হ্রদ ও ১৪৫টি হিমবাহ পরীক্ষা করেছেন বিশেষজ্ঞরা। এসব পরীক্ষায় ভূমিকম্পের কারণে নতুন কোনো বড় ধরনের ভূতাত্ত্বিক বিপর্যয়ের তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
আরও পড়ুন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ল, ভরিতে দেশে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা ৫৩ মিনিট আগে
ভূমিকম্পের পরবর্তী পরিস্থিতি মূল্যায়নে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে নজরদারি অব্যাহত রেখেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বিশেষ করে পাহাড়ি অঞ্চল, হিমবাহ ও হিমবাহের হ্রদে সম্ভাব্য পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, যাতে নতুন কোনো বিপর্যয়ের আশঙ্কা দেখা দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
আন্তর্জাতিক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন।