https://newsbdc.com/national/mvgl4owq0q
ইশরাকের কাজ ভালো, তবে অস্ত্র হাতে নেওয়া ঠিক হয়নি: স্পিকার
প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করলেও তাঁর অস্ত্র হাতে নেওয়াকে অনুচিত বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তাঁর মতে, একজন মন্ত্রী পর্যায়ের ব্যক্তির হাতে অস্ত্র থাকা শোভন নয়।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে ভোলার লালমোহন উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা বিএনপি, পৌরসভা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের যৌথ আয়োজনে গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন
সাংবাদিক এস এম মুন্না আর নেই ৩ মিনিট আগে
ইশরাকের ভূমিকা নিয়ে মন্তব্য
স্পিকার বলেন, পুলিশের ওপর গুলিবর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত একদল মাদকসেবীকে দমন করতে গিয়েছিলেন ইশরাক হোসেন। এ উদ্যোগকে তিনি ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও হাতে অস্ত্র নেওয়াকে সমর্থন করেননি।
তিনি বলেন, একজন প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে দেহরক্ষী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা থাকেন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুলিশের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। তবে একজন মন্ত্রীর হাতে অস্ত্র থাকা—তা বৈধ হোক বা অবৈধ—তাঁর পদমর্যাদার সঙ্গে মানানসই নয় বলে মন্তব্য করেন স্পিকার।
আরও পড়ুন
মেট্রোরেল স্টেশনে বসছে মেটাল ডিটেক্টর ও লাগেজ স্ক্যানার ৪১ মিনিট আগে
ইশরাকের পদত্যাগের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন। তবে দুর্বৃত্ত দমনে তাঁর উদ্যোগের বিষয়টি সাধারণ মানুষ ভবিষ্যতে মূল্যায়ন করতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
নেতাকর্মীদের সতর্কবার্তা
বিএনপির নেতাকর্মীদের উদ্দেশে স্পিকার বলেন, দলের ভেতরে অন্যায় বা অনিয়মের অভিযোগ উঠলে তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত। এ প্রসঙ্গে তিনি ইশরাক হোসেনের পদত্যাগ এবং এক নারী সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে হাসপাতাল দখলের অভিযোগের বিষয়টি তুলে ধরেন।
আরও পড়ুন
জাইমা রহমানের জন্মদিনে শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যতিক্রমী আয়োজন ১ ঘণ্টা আগে
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা ও অনিয়মের বিষয়ে আপসহীন অবস্থান নিয়েছেন। জনগণের কল্যাণে সরকার ও প্রশাসনকে সহযোগিতা করার জন্যও তিনি নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান।
সংসদে নিরপেক্ষতার দাবি
সংসদ পরিচালনায় নিজের ভূমিকা প্রসঙ্গে স্পিকার বলেন, তিনি নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করছেন। সরকারি দল ও বিরোধী দলের সদস্যদের বক্তব্য দেওয়ার সমান সুযোগ দেওয়াকে তিনি গণতান্ত্রিক চর্চার অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন।
আরও পড়ুন
রাজউকের অনলাইন পারমিট সেবায় ৭ মাসে প্রায় ১১ হাজার আবেদন ২ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, সরকারের সমালোচনা করার কারণে কোনো সংসদ সদস্যের কণ্ঠ রোধ করার চেষ্টা করেননি; বরং সংসদে সব পক্ষের বক্তব্য তুলে ধরার সুযোগ নিশ্চিত করতে কাজ করছেন।
গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সিফাত বিন সাদিক, উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাফর ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুলসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন।