ছবি ভিডিও মতামত
সর্বশেষ
অর্থনীতি

বৈদেশিক সহায়তার দ্বিগুণের বেশি ঋণ পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ

প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১৩: ০৩
বৈদেশিক সহায়তার দ্বিগুণের বেশি ঋণ পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ
সংগৃহীত

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে বৈদেশিক সহায়তা হিসেবে বাংলাদেশ যে অর্থ পেয়েছে, তার দ্বিগুণেরও বেশি ব্যয় হয়েছে বিদেশি ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিদেশি ঋণ পরিশোধে ব্যয় হয়েছে ১ হাজার ৩৫১ দশমিক ২৩ মিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৬ হাজার ৬৪৬ কোটি টাকা।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) প্রকাশিত ইআরডির প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। এতে দেখা যায়, একই সময়ে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে বাংলাদেশ বৈদেশিক সহায়তা পেয়েছে ৬৬২ দশমিক ৩১ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, প্রাপ্ত সহায়তার তুলনায় ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধে ব্যয় হয়েছে দ্বিগুণেরও বেশি অর্থ।

আরও পড়ুন

পাঁচ বছরে বাংলাদেশে ৬৩৫ কোটি ডলার বিনিয়োগ করতে চায় জাপান ২ ঘণ্টা আগে পাঁচ বছরে বাংলাদেশে ৬৩৫ কোটি ডলার বিনিয়োগ করতে চায় জাপান

বেড়েছে ঋণ পরিশোধের ব্যয়

ইআরডির হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে বিদেশি ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধে ব্যয় হয়েছিল ১ হাজার ২৭৯ দশমিক ৯৫ মিলিয়ন ডলার। চলতি অর্থবছরের একই সময়ে তা বেড়ে ১ হাজার ৩৫১ দশমিক ২৩ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। এক বছরের ব্যবধানে ঋণ পরিশোধের ব্যয় বেড়েছে প্রায় ৫ দশমিক ৬ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে ঋণের আসল বাবদ পরিশোধ করা হয়েছে ৮৫৮ দশমিক ৯২ মিলিয়ন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ খাতে ব্যয় হয়েছিল ৮১৬ দশমিক ৯৯ মিলিয়ন ডলার।

আরও পড়ুন

যেসব কাজে প্রয়োজন হতে পারে টিআইএন সনদ ১৫ ঘণ্টা আগে যেসব কাজে প্রয়োজন হতে পারে টিআইএন সনদ

অন্যদিকে, ঋণের সুদ পরিশোধেও ব্যয় বেড়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে সুদ বাবদ ৪৬২ দশমিক ৯৬ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করা হয়েছিল। চলতি অর্থবছরের একই সময়ে তা বেড়ে ৪৯২ দশমিক ৩১ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

আরও পড়ুন

পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ৬০ কোটি টাকা লভ্যাংশ সরকারি কোষাগারে জমা ১৮ ঘণ্টা আগে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ৬০ কোটি টাকা লভ্যাংশ সরকারি কোষাগারে জমা

বৈদেশিক সহায়তার অর্থছাড় কমেছে

ঋণ পরিশোধের ব্যয় বাড়লেও চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে বৈদেশিক সহায়তার অর্থছাড় কমেছে। জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে উন্নয়ন সহযোগীরা বাংলাদেশকে ৬৬২ দশমিক ৩১ মিলিয়ন ডলার সহায়তা দিয়েছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ অর্থছাড়ের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ১৪৮ দশমিক ৫৯ মিলিয়ন ডলার।

সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে বৈদেশিক সহায়তার অর্থছাড় কমেছে প্রায় ৪২ দশমিক ৩ শতাংশ, যার পরিমাণ ৪৮৬ দশমিক ২৮ মিলিয়ন ডলার।

আরও পড়ুন

নিরাপত্তা যাচাই শেষে সচল হলো জনতা ব্যাংকের ওয়েবসাইট ২৩ ঘণ্টা আগে নিরাপত্তা যাচাই শেষে সচল হলো জনতা ব্যাংকের ওয়েবসাইট

চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে পাওয়া বৈদেশিক সহায়তার মধ্যে ঋণ হিসেবে এসেছে ৫৪১ দশমিক ৭৪ মিলিয়ন ডলার। অনুদান হিসেবে পাওয়া গেছে ১১০ দশমিক ৫৭ মিলিয়ন ডলার।

প্রাপ্ত সহায়তার তুলনায় ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধে বেশি অর্থ ব্যয় হওয়ায় বৈদেশিক সহায়তার নিট প্রবাহ ঋণাত্মক হয়েছে। এতে দেশের বৈদেশিক অর্থায়ন ব্যবস্থাপনায় ঋণ পরিশোধের চাপের বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়েছে।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন

মন্তব্য (০)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন।

Economy নিয়ে আরও পড়ুন