https://newsbdc.com/national/mw3az7veat
১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য, মোংলায় শিল্পায়নের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্যে মোংলায় নতুন শিল্পকারখানা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ জন্য দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে স্থিতিশীল, নিরাপদ ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিল্পায়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে কাজ করছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাগেরহাটের মোংলায় ইনভেস্ট বাংলাদেশ ও চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন
ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জবাব দেবে জনগণ: প্রধানমন্ত্রী ৩০ মিনিট আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রাকে গতিশীল করতে বিনিয়োগের নতুন ক্ষেত্র তৈরি করা জরুরি। মোংলার ভৌগোলিক অবস্থান, সমুদ্রবন্দর এবং আঞ্চলিক যোগাযোগব্যবস্থার সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে এ অঞ্চলে শিল্পকারখানা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ার পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে মোংলার অবদান আরও বাড়বে।
আরও পড়ুন
হলুদ শাড়ি-ক্যাপে প্রধানমন্ত্রীকে বরণে খুলনার রাজপথে নারী নেত্রীরা ৪৫ মিনিট আগে
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতা সম্প্রসারণে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। ইনভেস্ট বাংলাদেশের পক্ষে সংস্থাটির ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন বিভাগের সদস্য সালেহ আহমেদ এবং চীনের পক্ষে চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের চেয়ারম্যান লি চংইয়াং এতে স্বাক্ষর করেন।
সমঝোতা স্মারকের আওতায় বাংলাদেশে অবকাঠামো, পরিবহন, লজিস্টিকস, শিল্প, জ্বালানি, পরিবেশ ও দক্ষতা উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে। এর ফলে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার হওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে চীনা বিনিয়োগ ও কারিগরি সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র উন্মুক্ত হতে পারে।
আরও পড়ুন
ঢাকার পাঁচ হাসপাতালে পিপিপি পদ্ধতিতে চিকিৎসাসেবা চালুর উদ্যোগ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ২ ঘণ্টা আগে
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, সমঝোতা স্মারকের উদ্যোগগুলো বাস্তবায়িত হলে মোংলাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে শিল্পায়ন, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিশেষ করে মোংলা বন্দরকে কেন্দ্র করে শিল্প ও লজিস্টিকস খাতের বিকাশ এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে আরও সম্প্রসারিত করতে পারে।
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন।