https://newsbdc.com/international/mvdfk7sg58
সৌদিতে নজরদারি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ২ ক্রু
সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নাজরানে নজরদারি চালানোর একটি সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়েছে। এ ঘটনায় হেলিকপ্টারটির দুই ক্রু নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট।
রোববার (১৮ অক্টোবর) সকালে জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বিধ্বস্ত এএইচ-৬আই হেলিকপ্টারটি সৌদি ন্যাশনাল গার্ডের আওতাধীন এলাকায় ছিল। তবে দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে তিনি কিছু জানাননি।
আরও পড়ুন
সৌদি বিমানবন্দরে ফের হামলা: বাতিল ২২ হাজার বাংলাদেশি যাত্রীর ১৪৪টি ফ্লাইট ১১ মিনিট আগে
এর আগে শনিবার ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারে দাবি করেন, তাঁদের যোদ্ধারা নাজরানে একটি অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ভূপাতিত করেছেন। তাঁর দাবি অনুযায়ী, হেলিকপ্টারটি হুথিদের অবস্থানে হামলা চালাচ্ছিল।
হুথিদের এই দাবির প্রায় এক দিন পর সৌদি পক্ষ একটি নজরদারি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হওয়ার খবর নিশ্চিত করলেও সেটি অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ছিল কি না, তা স্পষ্ট করেনি।
আরও পড়ুন
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিসহ ১০৯ প্রবাসী আটক ৩ ঘণ্টা আগে
হুথিদের দাবির জবাবে সৌদি জোটের মুখপাত্র সারিবদ্ধ কয়েকটি অ্যাপাচি হেলিকপ্টারের ছবি প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, হুথিরা অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ভূপাতিত করার দাবি করলেও সেটি শিগগিরই যুদ্ধে অংশ নেবে।
এদিকে গত জুলাই থেকে সৌদি আরব ও হুথিদের মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সংঘাত শুরুর পর সৌদি আরব হুথিদের অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালায়। এর জবাবে হুথিরা রিয়াদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ তেল অবকাঠামোয় পাল্টা হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন
বিক্ষোভে উত্তাল মণিপুর, আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার গ্যাস ২৪ অক্টোবর ২০২৬
২০১৪ সালে হুথিরা ইয়েমেনের রাজধানী সানা ও কয়েকটি প্রদেশ দখল করে। এর পর দেশটিতে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। হুথিদের সানা থেকে হটিয়ে দিতে ২০১৫ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ইয়েমেনে বিমান হামলা চালায়।
২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হয়েছিল। তবে চলতি বছরের জুলাইয়ে সেই যুদ্ধবিরতি ভেঙে নতুন করে সংঘাত শুরু হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এতে সৌদি আরব ও ইয়েমেনে বহু মানুষের প্রাণহানির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন।