https://newsbdc.com/sara-desh/mvqi1tiwrc
টুপটুপ রিসোর্টে আগুন: ১০ দিন পর নিখোঁজ শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার
কক্সবাজারের উখিয়ার পাটুয়ারটেকে ‘টুপটুপ’ রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিখোঁজ স্কুলশিক্ষিকা নাসরিন আক্তার মুক্তার (২৭) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে পুড়ে যাওয়া রিসোর্টে তল্লাশি চালিয়ে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, অগ্নিকাণ্ডের পর উদ্ধার হওয়া ১০টি মরদেহের ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত করা হলেও নাসরিন আক্তার মুক্তার নমুনার সঙ্গে সেগুলোর কোনো মিল পাওয়া যায়নি। এ কারণে মঙ্গলবার সকাল থেকে রিসোর্ট এলাকায় নতুন করে তল্লাশি শুরু করা হয়।
আরও পড়ুন
গাজীপুরে তিন ঘণ্টা পর মহাসড়ক ছাড়লেন পোশাকশ্রমিকেরা ৪২ মিনিট আগে
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান শিক্ষিকা মুক্তার মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গত ১৭ অক্টোবর সকালে উখিয়ার পাটুয়ারটেকে মেরিন ড্রাইভ-সংলগ্ন তিনতলা টুপটুপ রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড রিসোর্টে আগুন লাগে। অগ্নিকাণ্ডের পর ঘটনাস্থল থেকে ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শুরুতে নিখোঁজের তালিকায় ১১ জনের নাম ছিল। পরে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে উদ্ধার হওয়া ১০ জনের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
আরও পড়ুন
গাজীপুরে বেতন-ভাতা ও বোনাস বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ ২ ঘণ্টা আগে
শনাক্ত হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ঢাকার শ্যামলী এলাকার একই পরিবারের মোহাম্মদ নাহিদুর রহমান (৪১), তাঁর স্ত্রী আফসানা মতিন (৩৬) এবং তাঁদের দুই মেয়ে রোজাইনা ইনায়া (৯) ও মুনাইনা ইহানা (৬) রয়েছেন।
এ ছাড়া ঢাকার বনশ্রী ও খিলগাঁও এলাকার আরেক পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের মধ্যে মৌলিহা মেহজাবিন আলভী (১৯), লায়লা জাহান নাবিলা (২৫), ইসরাত জাহান মালিহা (২৭), ফারিয়া কবির (৩৩), ফারিয়ার ছয় বছর বয়সী ছেলে মোহাম্মদ ফাইজান নূর এবং ফারিয়ার ভাই মোহাম্মদ নাফিস তেহামী (২৪) রয়েছেন।
আরও পড়ুন
বাসের ত্রুটি সারাতে নেমেছিলেন যাত্রীরা, লরিচাপায় নি/হ/ত ৫ ৪ ঘণ্টা আগে
নাসরিন আক্তার মুক্তা আশুলিয়ার ‘স্বপ্নবিলাস নিরিবিলি স্কুলের’ শিক্ষিকা ছিলেন। অগ্নিকাণ্ডের সময় তিনি দুই বান্ধবীকে নিয়ে রিসোর্টে বেড়াতে গিয়েছিলেন। তাঁর বান্ধবীরা রিসোর্ট থেকে বের হতে পারলেও মুক্তা নিখোঁজ ছিলেন।
এ ঘটনায় অবহেলার অভিযোগে ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি রিসোর্টের মালিক মোহাম্মদ তানভীর সুলতান মিয়া ও অপর মালিক নেওয়াজ মোর্শেদ পলাতক রয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপক মো. জাহিদ হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন।